২৮/১. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৭৩৮ - ভাইয়ের দাওয়াতের জবাব
দাওয়াত কবুল করা
ভাইয়ের দাওয়াত কবুল করার ইসলামী আদব
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৭৩৮
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৭৩৮
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «إِذَا دَعَا أَحَدُكُمْ أَخَاهُ فَلْيُجِبْ عُرْسًا كَانَ أَوْ نَحْوَهُ» .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ তোমাদের কেউ তার ভাইকে দাওয়াত দিলে সে যেন তা কবুল করে, তা বিবাহ অনুষ্ঠান বা প্রীতিভোজ যাই হোক না কেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৭৩৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, তোমাদের কেউ তার ভাইকে দাওয়াত দিলে সে যেন তা কবুল করে; তা বিয়ের অনুষ্ঠান হোক বা অনুরূপ কোনো প্রীতিভোজ হোক। এখানে “ভাই” শব্দে মুসলিম সমাজের পারস্পরিক সম্পর্কের মমতা বোঝা যায়। দাওয়াত শুধু খাবারের বিষয় নয়, বরং সম্পর্ক রাখা, আনন্দে শরিক হওয়া এবং সামাজিক বন্ধনকে গুরুত্ব দেওয়ার একটি পথ। এই হাদিসে বিয়ের দাওয়াত ও সাধারণ প্রীতিভোজ—দুই ধরনের আমন্ত্রণের কথা এসেছে। তাই কারও আমন্ত্রণ পেলে তা গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। দাওয়াত কবুল, ওয়ালীমা এবং সামাজিক আদব—এসব বিষয়ে এই বর্ণনা খুব সহজ ও প্রাসঙ্গিক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুসলিম ভাইয়ের দাওয়াতে সাড়া দেওয়া শেখানো হয়েছে।
- বিয়ের অনুষ্ঠান বা প্রীতিভোজ—উভয় ক্ষেত্রেই আমন্ত্রণের মর্যাদা আছে।
- দাওয়াত কবুল করা সম্পর্ক রক্ষার একটি সুন্দর পথ।
- সামাজিক মেলামেশায় ইসলামী আদব মানা জরুরি।
