২৮/৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৭৪৯ - মেহমানদারি তিন দিনের শিক্ষা
মেহমানদারি সম্পর্কে
মেহমানদারি তিন দিন, এরপর অতিরিক্ত আপ্যায়ন সদকা
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৭৪৯
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৭৪৯
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ مَحْبُوبٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ قَالَ " الضِّيَافَةُ ثَلاَثَةُ أَيَّامٍ فَمَا سِوَى ذَلِكَ فَهُوَ صَدَقَةٌ».
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেনঃ মেহমানদারীর সীমা তিন দিন। এর অতিরিক্ত দিনের আতিথ্য প্রদান সদাক্বাহ হিসেবে গণ্য।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৭৪৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে মেহমানদারির সীমা সংক্ষেপে বলা হয়েছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, মেহমানদারি তিন দিন। এর বাইরে যে আপ্যায়ন করা হবে, তা সদকা হিসেবে গণ্য। এই শিক্ষা স্বাগতিক ও মেহমান—দুই পক্ষের জন্যই ভারসাম্যপূর্ণ। স্বাগতিককে মেহমানের হক আদায়ের কথা মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে। আবার মেহমানকেও বুঝতে হবে, দীর্ঘদিন অবস্থান করলে গৃহস্থের ওপর চাপ পড়তে পারে। তিন দিনের সীমা ইসলামে মেহমানদারির একটি সুন্দর মাপ দেখায়। এরপর কেউ যদি আনন্দের সঙ্গে আরও খাওয়ায় বা রাখে, তা তার অতিরিক্ত দান হিসেবে গণ্য হবে। এই হাদিসে মেহমানদারি, অতিথির অধিকার এবং সদকার শিক্ষা একসঙ্গে এসেছে। তাই আতিথ্য দিতে হবে সম্মান দিয়ে, কিন্তু কারো ওপর অসহনীয় বোঝা চাপিয়ে নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মেহমানদারির মূল সীমা তিন দিন বলা হয়েছে।
- তিন দিনের পর আপ্যায়ন করা হলে তা সদকা হিসেবে গণ্য।
- স্বাগতিকের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করা ঠিক নয়।
- মেহমানদারিতে সম্মান ও ভারসাম্য দুটোই দরকার।
