২৮/৩০. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৭৯৮ - ভূমির পোকা-মাকড় নিয়ে বর্ণনা
কীট-পতঙ্গ ও গর্তের প্রাণী
হাশরাতুল আরদ হারাম হওয়ার কথা না শোনার বর্ণনা
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৭৯৮
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৭৯৮
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا غَالِبُ بْنُ حَجْرَةَ، حَدَّثَنِي مِلْقَامُ بْنُ تَلِبٍّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ صَحِبْتُ النَّبِيَّ ﷺ فَلَمْ أَسْمَعْ لِحَشَرَةِ الأَرْضِ تَحْرِيمًا .
মিলক্বাম ইবনু তালিব্ব (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে ছিলাম। কিন্তু কখনো ‘হাশরাতুল আরদ’ হারাম হওয়া সম্পর্কে কিছু শুনিনি।
[৩৭৯৮] বায়হাক্বী। এর সানাদে গালিব ইবনু হাজরাহ অজ্ঞাত।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৭৯৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বর্ণনাকারী বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর সঙ্গে ছিলেন, কিন্তু কখনো ‘হাশরাতুল আরদ’ বা ভূমির কীটজাত প্রাণী হারাম হওয়া সম্পর্কে কিছু শুনেননি। এখানে হাদিসের ভাষা খুব সীমিত। তাই “হাশরাতুল আরদ”, “ভূমির পোকা-মাকড়” এবং “হারাম হওয়ার কথা না শোনা”—এই বিষয়গুলো সতর্কভাবে বুঝতে হবে। বর্ণনাটি সরাসরি কোনো প্রাণীর নাম ধরে হালাল ঘোষণা করছে না; বরং বর্ণনাকারীর শুনতে না পাওয়ার কথা বলছে। তাই এ হাদিস দিয়ে অতিরিক্ত বড় সিদ্ধান্ত না দিয়ে, মূল বক্তব্যটি পরিষ্কারভাবে রাখা উচিত। খাবারের বিষয়ে নীরবতা, নিষেধ এবং অনুমতির ভাষার পার্থক্য বুঝতে এই ধরনের বর্ণনা কাজে আসে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বর্ণনাকারী ভূমির কীটজাত প্রাণী হারাম হওয়ার কথা শোনেননি।
- হাদিসের ভাষা সীমিত হলে ব্যাখ্যাও সীমিত রাখা দরকার।
- নিষেধের ভাষা ও নীরবতার ভাষা আলাদা করে বুঝতে হয়।
