২৯/৩. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৮৫৭ - রক্তমোক্ষণ চিকিৎসার ফজিলত
রক্তমোক্ষণ (শিঙ্গা লাগানো)
রক্তমোক্ষণ বা হিজামার চিকিৎসাগত শিক্ষা
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৮৫৭
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৮৫৭
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ «إِنْ كَانَ فِي شَىْءٍ مِمَّا تَدَاوَيْتُمْ بِهِ خَيْرٌ فَالْحِجَامَةُ» .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা যেসব চিকিৎসা গ্রহণ করে থাকো তার মধ্যে রক্তমোক্ষণ হলো সর্বোত্তম চিকিৎসা।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৮৫৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রক্তমোক্ষণ বা হিজামা সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর কথা এসেছে। তিনি বলেছেন, তোমরা যে চিকিৎসা গ্রহণ করো, তার মধ্যে কল্যাণ থাকলে তা রক্তমোক্ষণে আছে। অনুবাদে রক্তমোক্ষণকে চিকিৎসার মধ্যে উত্তম হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে। এখানে মূল বিষয় হলো হিজামা একটি পরিচিত চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে উল্লেখিত। হাদিসটি চিকিৎসা গ্রহণের সাধারণ শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত, কারণ রোগের ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়া এবং উপকারী চিকিৎসা গ্রহণ করার কথা আগে এসেছে। “হিজামা হাদিস”, “রক্তমোক্ষণ চিকিৎসা” এবং “ইসলামে হিজামা” এই হাদিসের প্রধান সার্চ বিষয়। হাদিসের সীমার মধ্যে থেকে বলা যায়, নবী (صلى الله عليه وسلم) রক্তমোক্ষণে কল্যাণের কথা বলেছেন এবং এটি চিকিৎসার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি হিসেবে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রক্তমোক্ষণ বা হিজামায় কল্যাণ থাকার কথা হাদিসে এসেছে।
- চিকিৎসা গ্রহণের মধ্যে উপকারী পদ্ধতি বেছে নেওয়ার শিক্ষা আছে।
- হিজামা নবীজির যুগে পরিচিত চিকিৎসা পদ্ধতি ছিল।
- রোগের ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়া ইসলামী শিক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
