২৯/১২. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৮৭৬ - সাত আজওয়া খেজুরের ফজিলত

আজওয়া খেজুর সম্পর্কে

সকালে সাত আজওয়া খেজুর খাওয়ার ফজিলত

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৮৭৬

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ هَاشِمٍ، عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ «مَنْ تَصَبَّحَ سَبْعَ تَمَرَاتِ عَجْوَةٍ لَمْ يَضُرُّهُ ذَلِكَ الْيَوْمَ سَمٌّ وَلاَ سِحْرٌ».

সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি প্রত্যহ সকালে সাতটি আজওয়া খেজুর খাবে, সেদিন কোন ধরনের বিষ ও জাদু তাকে ক্ষতি করবে না।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৮৭৬-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রত্যহ সকালে সাতটি আজওয়া খেজুর খাবে, সেদিন কোনো ধরনের বিষ ও যাদু তাকে ক্ষতি করবে না। হাদিসের বক্তব্য খুব স্পষ্ট এবং নির্দিষ্ট। এখানে “সাত আজওয়া খেজুর”, “আজওয়া খেজুরের ফজিলত” এবং “বিষ ও যাদু থেকে নিরাপত্তা” বিষয় এসেছে। হাদিসে সময় হিসেবে সকাল এবং পরিমাণ হিসেবে সাতটি আজওয়া খেজুর উল্লেখ করা হয়েছে। তাই ব্যাখ্যায় এই নির্দিষ্ট ভাষাকে ধরে রাখা জরুরি। এই বর্ণনা আজওয়া খেজুরের মর্যাদা ও বিশেষ উপকারের কথা জানায়। তবে নিজের পক্ষ থেকে সব ধরনের খেজুর বা সব সময়ের জন্য একই কথা বলা ঠিক নয়, কারণ হাদিসে আজওয়া খেজুর এবং সেদিনের কথা নির্দিষ্টভাবে এসেছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • সকালে সাতটি আজওয়া খেজুর খাওয়ার বিশেষ ফজিলত হাদিসে আছে।
  • হাদিসে বিষ ও যাদুর ক্ষতি থেকে সেদিন নিরাপত্তার কথা বলা হয়েছে।
  • পরিমাণ ও সময়ের মতো নির্দিষ্ট শব্দগুলো গুরুত্ব দিয়ে বুঝতে হবে।
  • খাদ্য ও স্বাস্থ্য বিষয়ে নববী দিকনির্দেশনা থেকে শিক্ষা নেওয়া যায়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন