২৯/১৭. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৮৮৪ - বদনজর ও বিষাক্ত দংশনে রুকইয়াহ

তাবিজ ঝুলানো

বদনজর ও বিষাক্ত দংশনে ঝাড়ফুঁকের হাদিস

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৮৮৪

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دَاوُدَ، عَنْ مَالِكِ بْنِ مِغْوَلٍ، عَنْ حُصَيْنٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ «لاَ رُقْيَةَ إِلاَّ مِنْ عَيْنٍ أَوْ حُمَةٍ».

‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) বলেনঃ কেবল বদনজর লাগা কিংবা বিষাক্ত প্রাণীর দংশনের চিকিৎসায় ঝাড়ফুঁক দেয়া যায়।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৮৮৪-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন, কেবল বদনজর লাগা কিংবা বিষাক্ত প্রাণীর দংশনের চিকিৎসায় ঝাড়ফুঁক দেওয়া যায়। বর্ণনাটি ছোট, কিন্তু বিষয়টি খুব স্পষ্ট। এখানে রুকইয়াহ বা ঝাড়ফুঁককে সাধারণ কুসংস্কার হিসেবে নয়, বরং নির্দিষ্ট কিছু অবস্থায় ব্যবহৃত একটি চিকিৎসামূলক আমল হিসেবে দেখানো হয়েছে। বদনজর ও বিষাক্ত দংশন মানুষের কষ্টের কারণ হতে পারে। তাই এসব ক্ষেত্রে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া, দোয়া করা এবং বৈধ রুকইয়াহ করা হাদিসে এসেছে। তবে এই হাদিসকে শির্কযুক্ত মন্ত্র বা তাবিজের অনুমতি হিসেবে নেওয়া যাবে না, কারণ একই অধ্যায়ের অন্য বর্ণনায় শির্কযুক্ত ঝাড়ফুঁক থেকে সতর্ক করা হয়েছে। মূল কথা হলো, ঝাড়ফুঁক হতে হবে শির্কমুক্ত ও আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • বদনজর লাগলে বৈধ ঝাড়ফুঁক করা যেতে পারে।
  • বিষাক্ত প্রাণীর দংশনে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া উচিত।
  • রুকইয়াহ যেন শির্কমুক্ত হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
  • রোগ বা কষ্টে ভরসা রাখতে হবে আল্লাহর ওপর।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন