৩০/৪. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৯১০ - কুলক্ষণ শিরক, তাওয়াক্কুলে মুক্তি

অশুভ লক্ষণ

কুলক্ষণ শিরক: তাওয়াক্কুলের মাধ্যমে বাঁচার শিক্ষা

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৯১০

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ عِيسَى بْنِ عَاَصِمٍ، عَنْ زِرِّ بْنِ حُبَيْشٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ قَالَ " الطِّيَرَةُ شِرْكٌ الطِّيَرَةُ شِرْكٌ». ثَلاَثًا «وَمَا مِنَّا إِلاَّ وَلَكِنَّ اللَّهَ يُذْهِبُهُ بِالتَّوَكُّلِ " .

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ কোন বস্তুকে কুলক্ষণ মনে করা ‘শিরক’, কোন বস্তুকে কুলক্ষণ ভাবা শিরক। একথা তিনি তিনবার বললেন। আমাদের কারো মনে কিছু জাগা স্বাভাবিক, কিন্তু আল্লাহর উপর ভরসা করলে তিনি তা দূর করে দিবেন।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৯১০-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم খুব স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, কোনো কিছুকে কুলক্ষণ মনে করা শিরক। তিনি কথাটি তিনবার বলেছেন, যাতে বিষয়টির গুরুত্ব বোঝা যায়। মানুষের মনে কখনো কোনো অস্বস্তি বা খারাপ ধারণা জাগতে পারে—হাদিসে এটাও স্বীকার করা হয়েছে। কিন্তু সেই ধারণাকে বিশ্বাসে পরিণত করা বা তার কারণে কাজ ছেড়ে দেওয়া ঠিক নয়। হাদিসের শেষ অংশে বলা হয়েছে, আল্লাহর উপর ভরসা করলে তিনি তা দূর করে দেন। তাই এই হাদিসের প্রধান শিক্ষা হলো তাওয়াক্কুল। কুলক্ষণ, অশুভ লক্ষণ, পাখি, দিন, মাস বা নাম দেখে ভয় পাওয়ার বদলে মুসলিম আল্লাহর উপর ভরসা রাখবে এবং সঠিক পথে কাজ করবে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • কুলক্ষণ বিশ্বাসকে হাদিসে শিরক বলা হয়েছে।
  • মনে অস্বস্তি আসতে পারে, কিন্তু সেটিকে বিশ্বাস বানানো ঠিক নয়।
  • আল্লাহর উপর ভরসা কুলক্ষণ-ভয় দূর করার পথ।
  • কাজের সিদ্ধান্ত কুসংস্কার নয়, তাওয়াক্কুলের উপর হওয়া উচিত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন