৩১/৬. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৯৪২ - দাস মুক্তি বর্ণনায় সতর্কতা

যারা বলেন, গোলামকে কাজে লাগানো যাবে না

দাস মুক্তি হাদিসে বর্ণনাগত সতর্কতা

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৯৪২

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ بِهَذَا الْحَدِيثِ قَالَ أَيُّوبُ فَلاَ أَدْرِي هُوَ فِي الْحَدِيثِ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ أَوْ شَىْءٌ قَالَهُ نَافِعٌ وَإِلاَّ عَتَقَ مِنْهُ مَا عَتَقَ .

ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ)-এর সূত্রে উপরোক্ত হাদীস বর্ণিত। আইয়ূব (রহঃ) বলেন, আমি অবহিত নই, হাদীসের “যা আযাদ করলো তা করলোই” কথাটুকু নবী (ﷺ)-এর নাকি নাফি’ (রহঃ)-এর নিজস্ব বক্তব্য।

[৩৯৪২]

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৯৪২-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে শরীকানা দাস মুক্তি নিয়ে উপরোক্ত হাদিসের অর্থ বর্ণিত হয়েছে। তবে এখানে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো আইয়ুব (রহঃ)-এর সতর্ক বক্তব্য। তিনি বলেন, “যা আজাদ করলো তা করলই” কথাটি নবী صلى الله عليه وسلم-এর হাদিসের অংশ, নাকি নাফি (রহঃ)-এর নিজস্ব কথা—তা তিনি জানেন না। এ ধরনের বক্তব্য হাদিস বর্ণনার আমানতদারির সুন্দর উদাহরণ। তিনি যা নিশ্চিত জানেন, তা বলেছেন; আর যেখানে সন্দেহ আছে, সেটিও পরিষ্কার করেছেন। এতে পাঠক বুঝতে পারে, দাস আযাদ করা সংক্রান্ত বর্ণনায় শব্দ ও উৎস দুটোই গুরুত্ব রাখে। তাই এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো—ইলমের ক্ষেত্রে অনুমান নয়, বরং সততা ও সতর্কতা জরুরি।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • হাদিসের শব্দ কার বক্তব্য—এ বিষয়ে নিশ্চিত না হলে তা স্পষ্ট করে বলা উচিত।
  • ইলম বর্ণনায় সততা ও আমানতদারি বড় শিক্ষা।
  • শরীকানা দাস মুক্তির আলোচনায় বর্ণনার উৎস জানা গুরুত্বপূর্ণ।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন