২/৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪০৩ - সূর্য ঢলার পর যুহরের আজান
যুহরের সালাতের ওয়াক্ত
সূর্য ঢলার পর যুহরের আজান দেওয়ার নিয়ম
সুনানে আবূ দাউদ : ৪০৩
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪০৩
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، أَنَّ بِلاَلاً، كَانَ يُؤَذِّنُ الظُّهْرَ إِذَا دَحَضَتِ الشَّمْسُ .
জাবির ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
সূর্য (পশ্চিম আকাশে) ঢলে পেলে বিলাল (রাঃ) যুহরের সালাতের আজান দিতেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪০৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে যুহরের আজানের সময় সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত কিন্তু পরিষ্কার তথ্য এসেছে। জাবির ইবনু সামুরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, বিলাল (রাঃ) সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে গেলে যুহর সালাতের আজান দিতেন। হাদিসটি যুহর সালাতের সময় বোঝার জন্য সহজ একটি চিহ্ন দেখায়। এখানে কোনো দীর্ঘ আলোচনা নেই, বরং একটি বাস্তব আমল তুলে ধরা হয়েছে। যুহর আজান, যুহর সালাতের সময় এবং সূর্য ঢলার পর নামাজ—এই বিষয়গুলোর মূল ভিত্তি এই বর্ণনা থেকে স্পষ্ট হয়। তবে এই হাদিসে শুধু আজানের সময়ের কথা এসেছে; অন্য কোনো অতিরিক্ত বিধান বা ঘটনা এখানে বলা হয়নি। তাই ব্যাখ্যাতেও শুধু এই মূল কথার ওপর থাকা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- যুহরের আজান সূর্য ঢলার পর দেওয়া হতো।
- সালাতের সময় বুঝতে প্রকৃতির চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে।
- বিলাল (রাঃ)-এর আমল থেকে যুহরের সময় সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
- হাদিসটি সংক্ষিপ্ত হলেও সালাতের সময় জানার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
