২/৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪০২ - গরমে যুহরের সালাত ঠান্ডা করে আদায়
যুহরের সালাতের ওয়াক্ত
অত্যধিক গরমে যুহরের সালাত বিলম্বে আদায়ের বিধান
সুনানে আবূ দাউদ : ৪০২
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪০২
حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ خَالِدِ بْنِ مَوْهَبٍ الْهَمْدَانِيُّ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ الثَّقَفِيُّ، أَنَّ اللَّيْثَ، حَدَّثَهُمْ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، وَأَبِي، سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ «إِذَا اشْتَدَّ الْحَرُّ فَأَبْرِدُوا عَنِ الصَّلاَةِ " . قَالَ ابْنُ مَوْهَبٍ " بِالصَّلاَةِ فَإِنَّ شِدَّةَ الْحَرِّ مِنْ فَيْحِ جَهَنَّمَ " .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, অত্যধিক গরমে তোমরা যুহরের সালাত ঠান্ডা করে (বিলম্বে) আদায় করবে। কারণ অত্যধিক গরম জাহান্নামের নিঃশ্বাসের অংশ বিশেষ।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪০২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) স্পষ্টভাবে বলেছেন, অত্যধিক গরম হলে যুহরের সালাত ঠান্ডা করে আদায় করতে। হাদিসের ভাষায় এর কারণও বলা হয়েছে—অত্যধিক গরম জাহান্নামের নিঃশ্বাসের অংশবিশেষ। তাই এখানে শুধু সময়ের কথা নয়, মানুষের সহনশীলতা ও সালাতের সহজতার কথাও বোঝা যায়। যুহর সালাত সাধারণত সূর্য ঢলার পর আদায় করা হয়, তবে তীব্র গরমে তা একটু বিলম্ব করা যায়—এই নির্দেশ হাদিসের কথাতেই এসেছে। যারা গরমে যুহরের নামাজ, যুহর সালাতের সময় বা গরমে নামাজ বিলম্বে আদায় সম্পর্কে জানতে চান, তাদের জন্য এই বর্ণনা সরাসরি দিকনির্দেশনা দেয়। তবে এই বিলম্ব প্রচণ্ড গরমের অবস্থার সঙ্গে জড়িত, সাধারণ অবহেলার জন্য নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অত্যধিক গরমে যুহর সালাত ঠান্ডা করে আদায়ের নির্দেশ আছে।
- সালাত আদায়ে মানুষের কষ্ট কমানোর দিকটি বিবেচনায় এসেছে।
- গরমের তীব্রতা সম্পর্কে হাদিসে আখিরাতের কথা স্মরণ করানো হয়েছে।
- সালাত বিলম্বের বিষয়টি নির্দিষ্ট অবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত।
