৩৪/৩৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪১১০ - খাদ্যের প্রয়োজনে সীমিত অনুমতি
মহান আল্লাহর বাণী: “যৌন কামনা রহিত পুরুষ”
পর্দা রক্ষা ও ক্ষুধার প্রয়োজনের ভারসাম্য
সুনানে আবূ দাউদ : ৪১১০
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪১১০
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا عُمَرُ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، فِي هَذِهِ الْقِصَّةِ فَقِيلَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهُ إِذًا يَمُوتُ مِنَ الْجُوعِ فَأَذِنَ لَهُ أَنْ يَدْخُلَ فِي كُلِّ جُمُعَةٍ مَرَّتَيْنِ فَيَسْأَلَ ثُمَّ يَرْجِعَ .
আওযা’ঈ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল-আওযাঈ সূত্রে এ ঘটনা বর্ণিত। বলা হলো, হে আল্লাহ্র রাসূল! তাহলে সে তো না খেয়ে মারা যাবে। কাজেই তিনি প্রতি সপ্তাহে দুবার শহরে আসার জন্য তাকে অনুমতি দিলেন, অতঃপর সে খাবার সংগ্রহ করে চলে যাবে।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪১১০-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনা আগের ঘটনারই আরেকটি দিক তুলে ধরে। নপুংসক কৃতদাসকে ঘরে প্রবেশে নিষেধ করা হয়েছিল, কারণ তার কথায় বোঝা গিয়েছিল সে নারীদের বিষয়ে অবগত। এরপর বলা হলো, হে আল্লাহর রাসূল (صلى الله عليه وسلم), সে তাহলে না খেয়ে মারা যাবে। তখন নবী (صلى الله عليه وسلم) তাকে প্রতি সপ্তাহে দুইবার শহরে আসার অনুমতি দিলেন। সে খাবার চাইবে, তারপর ফিরে যাবে। এই হাদিসে পর্দা ও মানবিক প্রয়োজন—দুই দিকই আছে। ঘরে প্রবেশের দরজা খোলা রাখা হয়নি, আবার খাবারের প্রয়োজনও অগ্রাহ্য করা হয়নি। তাই ‘পর্দার সীমা’, ‘খাদ্যের জন্য অনুমতি’ এবং ‘নবীজির বাস্তব সিদ্ধান্ত’—এসব বিষয় এখানে পরিষ্কার। হাদিসটি কোনো বাড়তি দাবি নয়, বরং নির্দিষ্ট ঘটনার সীমিত অনুমতির কথা বলে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- পর্দার নিরাপত্তা রক্ষা করেও মানুষের খাবারের প্রয়োজন দেখা হয়েছে।
- সমস্যার ধরন অনুযায়ী অনুমতির সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- শুধু প্রবেশ নিষেধ নয়, প্রয়োজনমতো নিয়ন্ত্রিত সুযোগও দেওয়া হয়েছে।
