২/১১. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৪২ - ভুলে গেলে সালাতের কাফফারা
কেউ সালাতের ওয়াক্তে ঘুমিয়ে থাকলে বা সালাতের কথা ভুলে গেলে
ভুলে যাওয়া সালাত: স্মরণ হলে সঙ্গে সঙ্গে আদায়
সুনানে আবূ দাউদ : ৪৪২
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪৪২
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا هَمَّامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ قَالَ «مَنْ نَسِيَ صَلاَةً فَلْيُصَلِّهَا إِذَا ذَكَرَهَا لاَ كَفَّارَةَ لَهَا إِلاَّ ذَلِكَ».
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ কেউ সালাত আদায় করতে ভুলে গেলে যেন স্মরণ হওয়া মাত্রই তা আদায় করে নেন। এটাই তার সালাতের কাফ্ফারা।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৪২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ভুলে যাওয়া সালাত সম্পর্কে সরাসরি নির্দেশ এসেছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, কেউ সালাত আদায় করতে ভুলে গেলে স্মরণ হওয়া মাত্রই তা আদায় করবে। এটাই তার সালাতের কাফফারা। অর্থাৎ হাদিসের ভাষায় ভুলে যাওয়া নামাজের জন্য আলাদা কোনো কাফফারা নেই; করণীয় হলো মনে পড়ার পর সালাত আদায় করা। এখানে মূল কথা হলো, ভুল বুঝতে পারার পর দেরি না করা। মানুষ ভুল করতে পারে, কিন্তু ভুল মনে পড়লে দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া ঠিক নয়। এই হাদিস কাযা সালাত, নামাজ ভুলে গেলে করণীয় এবং সালাতের দায়িত্ব সম্পর্কে সুন্দর শিক্ষা দেয়। সহজভাবে বললে, স্মরণই এখানে কাজ শুরু করার সময়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাত ভুলে গেলে স্মরণ হওয়া মাত্র আদায় করতে হবে।
- এই হাদিস অনুযায়ী, এমন সালাতের কাফফারা হলো সেটি আদায় করা।
- ভুল মনে পড়ার পর অকারণে দেরি করা উচিত নয়।
