২/১১. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৪১ - সালাত বিলম্বের সতর্ক শিক্ষা

কেউ সালাতের ওয়াক্তে ঘুমিয়ে থাকলে বা সালাতের কথা ভুলে গেলে

সালাত বিলম্বে আদায়: ঘুম ও জাগ্রত অবস্থার পার্থক্য

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪৪১

حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ الْعَنْبَرِيُّ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ، - وَهُوَ الطَّيَالِسِيُّ - حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ، - يَعْنِي ابْنَ الْمُغِيرَةِ - عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَبَاحٍ، عَنْ أَبِي قَتَادَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " لَيْسَ فِي النَّوْمِ تَفْرِيطٌ إِنَّمَا التَّفْرِيطُ فِي الْيَقَظَةِ أَنْ تُؤَخَّرَ صَلاَةٌ حَتَّى يَدْخُلَ وَقْتُ أُخْرَى " .

আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ ঘুমের কারণে সালাতের গাফলতি হলে দোষ নেই। কিন্তু জাগ্রতাবস্থায় গাফলতি করে বিলম্ব সালাত আদায় করা অন্যায়, এতে করে আরেক সালাতের ওয়াক্ত এসে যায়।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৪১-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে সালাত বিলম্বে আদায় সম্পর্কে খুব পরিষ্কার শিক্ষা এসেছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, ঘুমের কারণে সালাতের গাফিলতি হলে দোষ নেই। কারণ ঘুমন্ত মানুষ নিজের ইচ্ছায় সালাত ফেলে রাখে না। কিন্তু জাগ্রত অবস্থায় কেউ যদি অবহেলা করে সালাত বিলম্ব করে, এমনকি আরেক সালাতের সময় এসে যায়, তাহলে সেটিই অন্যায় গাফিলতি। এখানে মূল শিক্ষা হলো, সালাতের সময়ের গুরুত্ব বুঝতে হবে। ঘুম বা ভুলে যাওয়া এক বিষয়, আর জেনে-শুনে সময় পার করে দেওয়া আরেক বিষয়। তাই মুসলিমের উচিত আজান, ওয়াক্ত ও দৈনন্দিন কাজের মধ্যে সালাতকে গুরুত্ব দেওয়া। এই হাদিস সালাতের সময়, কাযা সালাত এবং নামাজে গাফিলতি বিষয়ে সচেতন করে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • ঘুমের কারণে সালাত ছুটে গেলে তা ইচ্ছাকৃত গাফিলতি নয়।
  • জাগ্রত অবস্থায় অবহেলা করে সালাত বিলম্ব করা নিন্দনীয়।
  • এক সালাতের সময় আরেক সালাত পর্যন্ত ঠেলে দেওয়া থেকে সতর্ক থাকতে হবে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন