৪৩/৪৭. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৮৯৪ - গালি শুরু করার দায়

যারা পরস্পরকে গালি দেয়

গালি শুরু করার দায় ও সীমা না ছাড়ার শিক্ষা

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪৮৯৪

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، - يَعْنِي ابْنَ مُحَمَّدٍ - عَنِ الْعَلاَءِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ " الْمُسْتَبَّانِ مَا قَالاَ فَعَلَى الْبَادِي مِنْهُمَا مَا لَمْ يَعْتَدِ الْمَظْلُومُ».

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ পরস্পর তিরস্কারকারীর মধ্যে যে প্রথমে আরম্ভ করে উভয়ের দোষ তার উপর বর্তাবে, যতক্ষণ না অপরজন সীমালঙ্ঘন করে।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৮৯৪-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে পরস্পর তিরস্কার বা গালাগালির বিষয়ে একটি ন্যায়ভিত্তিক কথা এসেছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, দুইজন পরস্পরকে তিরস্কার করলে তাদের কথার দায় প্রথম শুরুকারীর উপর বর্তায়, যতক্ষণ না অপরজন সীমালঙ্ঘন করে। এখানে বোঝা যায়, অন্যায়ভাবে গালি শুরু করা বড় দায়ের কাজ। তবে মজলুম ব্যক্তি জবাব দিলে সেটিও সীমার মধ্যে থাকতে হবে। সীমা ছাড়িয়ে গেলে সে নিজেও দায়ে পড়তে পারে। এই হাদিস মানুষের রাগ, জিহ্বা ও প্রতিশোধের মুহূর্তকে নিয়ন্ত্রণ করতে শেখায়। অনেক সময় কেউ অপমান করলে আমরা তার চেয়ে বেশি কঠিন জবাব দিই। এতে নিজের অবস্থানও দুর্বল হয়ে যায়। ইসলামের শিক্ষা হলো—প্রথমে গালি শুরু করো না, আর কষ্ট পেলে জবাবের ক্ষেত্রেও সীমা অতিক্রম করো না। ভদ্রতা, সংযম ও ন্যায়—তিনটিই এখানে গুরুত্বপূর্ণ।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • গালি শুরু করা অন্যায়ের দায় বাড়ায়।
  • মজলুম ব্যক্তি জবাব দিলেও সীমা ছাড়ানো উচিত নয়।
  • রাগের সময় জিহ্বা সংযত রাখা দরকার।
  • অপমানের জবাব দিতে গিয়ে নিজে অন্যায়কারী হয়ে যাওয়া থেকে বাঁচতে হবে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন