৪৩/৫০. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৯০০ - মৃতের ভালো দিক আলোচনা
মৃত ব্যক্তিকে গালি দেয়া নিষেধ
মৃতদের ভালো দিক বলুন, দোষচর্চা ছাড়ুন
সুনানে আবূ দাউদ : ৪৯০০
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৪৯০০
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ، أَخْبَرَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ هِشَامٍ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ أَنَسٍ الْمَكِّيِّ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «اذْكُرُوا مَحَاسِنَ مَوْتَاكُمْ وَكُفُّوا عَنْ مَسَاوِيهِمْ» .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা তোমাদের মৃত ব্যক্তিদের ভাল দিকগুলো আলোচনা করো এবং তাদের দোষচর্চা পরিহার করো।
[৪৮৯৮] তিরমিযী, ইবনু হিব্বানের মাওয়ারিদ, বায়হাক্বী।সানাদে ‘ইমরান ইবনু আনাস সম্পর্কে হাফিয বলেনঃ দুর্বল।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৪৯০০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم মৃত ব্যক্তিদের স্মরণ করার একটি সুন্দর আদব শিখিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তোমরা তোমাদের মৃত ব্যক্তিদের ভালো দিকগুলো আলোচনা করো এবং তাদের দোষচর্চা পরিহার করো। এখানে মূল শিক্ষা হলো, মৃত্যু পর মানুষের সম্মান নষ্ট করে কথা বলা থেকে বাঁচা। কেউ মারা গেলে তার ভালো কাজ, ভালো গুণ, উপকারী দিক ও সুন্দর স্মৃতি বলা যেতে পারে। কিন্তু তার ভুল, দোষ বা দুর্বলতা নিয়ে আলোচনা ছড়ানো উচিত নয়। এতে জীবিতদের জিহ্বা পাপ থেকে বাঁচে এবং মৃতের পরিবারের মনও অযথা কষ্ট পায় না। বর্ণনায় দুর্বলতার কথা উল্লেখ থাকলেও এর শিক্ষা গীবত থেকে বাঁচা, মৃতের সম্মান রাখা এবং ভালো দিক স্মরণ করার সঙ্গে মিল রাখে। তাই মৃতের স্মরণে ভারসাম্য দরকার—মিথ্যা প্রশংসা নয়, আবার দোষ খুঁজে অপমানও নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মৃতের ভালো দিক স্মরণ করা শালীন আচরণ।
- মৃতের দোষচর্চা জীবিতদের জিহ্বাকে বিপদে ফেলতে পারে।
- মিথ্যা প্রশংসা নয়; সত্য ভালো দিক বলা উচিত।
- মৃতের পরিবারের কষ্ট বাড়ায় এমন কথা থেকে বাঁচা দরকার।
