৪৩/৯৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৫০১৪ - হাসান রাঃ ও মসজিদে কবিতা
কবিতা
হাসান রাঃ-এর কবিতা ও নবী صلى الله عليه وسلم-এর নীরবতার দিক
সুনানে আবূ দাউদ : ৫০১৪
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৫০১৪
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، بِمَعْنَاهُ زَادَ فَخَشِيَ أَنْ يَرْمِيَهُ، بِرَسُولِ اللَّهِ ﷺ فَأَجَازَهُ .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তবে এতে রয়েছেঃ ‘উমর (রাঃ) আশঙ্কা করলেন, তিনি যদি হাসসান (রাঃ) কে বারণ করেন তবে তিনি রাসূলুল্লাহর (ﷺ) চুপ থাকাকে দলীল বানাবেন। তাই তিনি তাঁকে অনুমতি দিলেন।
[৫০১২]
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৫০১৪-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আগের ঘটনার অনুরূপ কথা এসেছে। এতে বাড়তি একটি দিক উল্লেখ হয়েছে: উমর (রাঃ) আশঙ্কা করলেন, যদি তিনি হাসান (রাঃ)-কে বারণ করেন, তাহলে হাসান (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর চুপ থাকাকে দলীল হিসেবে পেশ করতে পারেন। তাই উমর (রাঃ) তাকে অনুমতি দিলেন। এখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি শিক্ষা আছে—কোনো কাজের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হলে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আচরণ, অনুমতি বা নীরবতার দিকও বিবেচনায় আসতে পারে। তবে এই বর্ণনা মসজিদে সব ধরনের কবিতা বা সব ধরনের কথার অনুমতি দিচ্ছে না। বরং হাসান (রাঃ)-এর নির্দিষ্ট ঘটনার কথা বলছে। তাই মসজিদে কবিতা বা বক্তব্য হলে তা শালীন, উপযুক্ত এবং ভালো উদ্দেশ্যের হওয়া দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم-এর নীরবতাও কোনো ঘটনার ক্ষেত্রে বিবেচ্য হতে পারে।
- মসজিদে কথাবার্তা হলে আদব ও উদ্দেশ্য ঠিক রাখা দরকার।
- হাসান রাঃ-এর কবিতার ঘটনা নির্দিষ্ট একটি ঘটনা হিসেবে এসেছে।
- ধর্মীয় বিষয়ে সিদ্ধান্তে সতর্কতা ও বোঝাপড়া প্রয়োজন।
