৪৩/১৩৪. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৫১৬৮ - দাসকে মারার কাফফারা

দাস-দাসীর হক

দাসকে মারধরের কাফফারা হলো মুক্তি

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৫১৬৮

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، وَأَبُو كَامِلٍ قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ فِرَاسٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، ذَكْوَانَ عَنْ زَاذَانَ، قَالَ أَتَيْتُ ابْنَ عُمَرَ وَقَدْ أَعْتَقَ مَمْلُوكًا لَهُ فَأَخَذَ مِنَ الأَرْضِ عُودًا أَوْ شَيْئًا فَقَالَ مَا لِي فِيهِ مِنَ الأَجْرِ مَا يَسْوَى هَذَا سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ " مَنْ لَطَمَ مَمْلُوكَهُ أَوْ ضَرَبَهُ فَكَفَّارَتُهُ أَنْ يُعْتِقَهُ " .

যাজান (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

একদা আমি ইবনু ‘উমরের (রাঃ) নিকট গেলাম। তিনি তার দাসকে মুক্ত করে দিলেন। অতঃপর তিনি মাটি হতে এক টুকরা কাঠ বা অন্য কিছু উঠিয়ে বললেন, একে মুক্ত করায় আমার এর সমানও নেকি নেই। আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি তার ক্রীতদাসকে চড় মারবে বা মারধর করবে, এর কাফফারাহ হলো তাকে মুক্ত করে দেয়া।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৫১৬৮-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে যাযান (রহঃ) বলেন, তিনি ইবনু উমর (রাঃ)-এর কাছে যান। ইবনু উমর (রাঃ) তাঁর এক দাসকে মুক্ত করেন। তারপর মাটি থেকে একটি ছোট কাঠ বা তেমন কিছু তুলে বলেন, তাকে মুক্ত করায় আমার এর সমানও নেকি নেই। এরপর তিনি জানান, তিনি রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-কে বলতে শুনেছেন: যে ব্যক্তি তার ক্রীতদাসকে চড় মারবে বা মারধর করবে, তার কাফফারা হলো তাকে মুক্ত করে দেওয়া। এখানে শিক্ষা হলো, অধীন মানুষের ওপর হাত তোলা বড় বিষয়। দাসমুক্তি সাধারণত নেক কাজ, কিন্তু এই ঘটনায় তা অপরাধের কাফফারা হিসেবে এসেছে। তাই আঘাত করে পরে দান-সদকার মতো ভাবা ঠিক নয়; বরং ভুলের দায় মেনে সংশোধনের পথ নিতে হবে। ইসলামে অধীনদের দেহ ও সম্মানকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • দাসকে চড় বা মারধর করা গুরুতর অন্যায়।
  • এ ধরনের আঘাতের কাফফারা হিসেবে মুক্তির কথা এসেছে।
  • ভুলের পর দায় স্বীকার করে সংশোধন করা জরুরি।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন