৪৩/১৩৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৫১৭২ - অনুমতি ছাড়া উঁকি নয়
অনুমতি চাওয়া সম্পর্কে
অনুমতি ছাড়া উঁকি দিলে চোখের দায় নিজের
সুনানে আবূ দাউদ : ৫১৭২
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৫১৭২
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ «مَنِ اطَّلَعَ فِي دَارِ قَوْمٍ بِغَيْرِ إِذْنِهِمْ فَفَقَأُوا عَيْنَهُ فَقَدْ هَدَرَتْ عَيْنُهُ» .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি যদি কোন গোত্রের ঘরে তাদের অনুমতি ছাড়া উঁকি মারে এবং তারা তার চোখ ফুঁড়ে দেয় তাহলে এর কোন ক্ষতিপূরণ নেই।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৫১৭২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, যদি কোনো ব্যক্তি কোনো গোত্রের ঘরে তাদের অনুমতি ছাড়া উঁকি মারে এবং তারা তার চোখ ফুঁড়ে দেয়, তাহলে তার চোখের কোনো ক্ষতিপূরণ নেই। হাদিসটি গোপনীয়তা ও অনুমতির বিষয়ে খুব কঠোর সতর্কতা দেয়। কারও ঘরে ঢোকা তো দূরের কথা, ভেতরে তাকানোও অনুমতি ছাড়া করা যাবে না। কারণ ঘর হলো মানুষের পর্দা, নিরাপত্তা ও সম্মানের জায়গা। অন্যের ব্যক্তিগত জায়গায় চোখ ঢোকানো এক ধরনের অনধিকার প্রবেশ। তাই ইসলামে অনুমতি চাওয়ার নিয়ম শুধু দরজা পার হওয়ার জন্য নয়; চোখের দৃষ্টিও নিয়ন্ত্রণ করার জন্য। এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, কারও ঘরের ভেতর দেখতে চাওয়া বড় সীমালঙ্ঘন। সম্মান রক্ষা করতে হলে আগে অনুমতি চাইতে হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অনুমতি ছাড়া ঘরের ভেতর তাকানো নিষিদ্ধ।
- অন্যের গোপনীয়তা নষ্ট করলে তার দায় নিজের ওপর পড়তে পারে।
- দৃষ্টির নিয়ন্ত্রণ ইসলামী আদবের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
