২/৬৫. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৫৯৫ - অন্ধ সাহাবির ইমামতি

অন্ধ লোকের ইমামতি করা

অন্ধ সাহাবির ইমামতি: ইবন উম্মু মাকতুম (রা.)-এর দায়িত্ব

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৫৯৫

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْعَنْبَرِيُّ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا ابْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا عِمْرَانُ الْقَطَّانُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ اسْتَخْلَفَ ابْنَ أُمِّ مَكْتُومٍ يَؤُمُّ النَّاسَ وَهُوَ أَعْمَى .

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) (তাবূক যুদ্ধে গমনকালে) ইবনু উম্মু মাকতূম (রাঃ)-কে (মাদীনাহ্‌র) শাসক নিয়োগ করেছিলেন। তিনি লোকদের ইমামতি করতেন, অথচ তিনি অন্ধ ছিলেন।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৫৯৫-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে বলা হয়েছে, নবী (صلى الله عليه وسلم) তাবুক যুদ্ধে যাওয়ার সময় ইবন উম্মু মাকতুম (রা.)-কে মদিনার শাসক বা দায়িত্বশীল হিসেবে রেখে যান। তিনি লোকদের ইমামতি করতেন, অথচ তিনি অন্ধ ছিলেন। হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু বড় শিক্ষা দেয়। ইমামতি বা দায়িত্বের ক্ষেত্রে অন্ধত্ব একা কোনো বাধা হিসেবে দেখানো হয়নি। বরং যোগ্যতা ও দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা থাকলে একজন অন্ধ সাহাবিও মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে সালাত পড়াতে পারেন। এখানে অতিরিক্ত কোনো বিধান বানানোর দরকার নেই; সরাসরি শিক্ষা হলো, শারীরিক সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও মানুষ দ্বীনি দায়িত্ব পালন করতে পারে। মুসলিম সমাজে যোগ্য মানুষকে সম্মান দেওয়া এবং দায়িত্বে রাখা নববী আমলের একটি সুন্দর দিক হিসেবে দেখা যায়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • শারীরিক সীমাবদ্ধতা থাকলেও যোগ্য ব্যক্তি ইমামতি করতে পারেন।
  • দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে যোগ্যতা ও আস্থা গুরুত্বপূর্ণ।
  • ইবন উম্মু মাকতুম (রা.)-এর ঘটনা অন্তর্ভুক্তিমূলক আচরণের শিক্ষা দেয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন