২/৬৮. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৬০০ - সালাতের পর কওমে ইমামতি
কোন ব্যক্তি একবার জামাআতে সালাত আদায়ের পর আবার ঐ সালাতে ইমামতি করা
সালাতের পর কওমে ইমামতি: মুআয (রা.)-এর আমল
সুনানে আবূ দাউদ : ৬০০
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৬০০
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، يَقُولُ إِنَّ مُعَاذًا كَانَ يُصَلِّي مَعَ النَّبِيِّ ﷺ ثُمَّ يَرْجِعُ فَيَؤُمُّ قَوْمَهُ .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) কে বলতে শুনেছেন, মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) নবী (ﷺ) এর সাথে সালাত আদায়ের পর সেখান থেকে ফিরে এসে তিনি পুনরায় নিজ কওমের ইমামতি করতেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৬০০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রা.) থেকে মুআয ইবনু জাবাল (রা.)-এর একটি আমল বর্ণিত হয়েছে। তিনি নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সঙ্গে সালাত আদায় করতেন। এরপর সেখান থেকে ফিরে এসে নিজের কওমের ইমামতি করতেন। আগের বর্ণনার মতো এখানেও একই শিক্ষা পাওয়া যায়। মুআয (রা.) নিজের সালাত নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সঙ্গে পড়তেন এবং পরে নিজ এলাকার মানুষদের সালাতেও নেতৃত্ব দিতেন। এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় ইমামতি, জামাতের ব্যবস্থা এবং মানুষের দ্বীনি প্রয়োজন পূরণের ছবি আছে। হাদিসের বাইরে গিয়ে বাড়তি বিধান বা নতুন দাবি করা উচিত নয়। সরাসরি শিক্ষা হলো, সালাতের নেতৃত্ব একটি সেবা, আর কওমের মানুষদের সালাতে সাহায্য করা সাহাবিদের কাজের অংশ ছিল।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতের জামাত গড়ে রাখতে ইমামের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
- মুআয (রা.) নিজের কওমের দ্বীনি প্রয়োজনের দিকে খেয়াল রাখতেন।
- ইমামতি মানুষের সেবা ও সালাতের শৃঙ্খলার সঙ্গে যুক্ত।
