২/১৭০. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৯২৩ - সালাতে সালামের জবাব
সালাতরত অবস্থায় সালামের জবাব দেয়া
সালাতে সালামের জবাব: কথা না বলার শিক্ষা
সুনানে আবূ দাউদ : ৯২৩
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৯২৩
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَيْلٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ كُنَّا نُسَلِّمُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ ﷺ وَهُوَ فِي الصَّلاَةِ فَيَرُدُّ عَلَيْنَا فَلَمَّا رَجَعْنَا مِنْ عِنْدِ النَّجَاشِيِّ سَلَّمْنَا عَلَيْهِ فَلَمْ يَرُدَّ عَلَيْنَا وَقَالَ " إِنَّ فِي الصَّلاَةِ لَشُغْلاً».
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদা রাসূলুল্লাহর (ﷺ) সালাতে রত অবস্থায়ই আমরা তাঁকে সালাম দিলে তিনি এর জবাব দিলেন। পরবর্তীতে আমরা বাদশা নাজ্জাশীর কাছ থেকে ফিরে এসে তাঁকে সালাতের অবস্থায় সালাম দিলে তিনি এর জবাব না দিয়ে (সালাত শেষে) বললেনঃ সালাতের মধ্যে অবশ্যই জরুরী কাজ আছে।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৯২৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো সালাতের মধ্যে সালামের জবাব ও কথা বলা। আবদুল্লাহ (রা.) বলেন, তাঁরা আগে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে সালাতের অবস্থায় সালাম দিতেন, আর তিনি জবাব দিতেন। কিন্তু নাজ্জাশীর কাছ থেকে ফিরে এসে তাঁরা সালাতের মধ্যে সালাম দিলে তিনি জবাব দিলেন না। পরে বললেন, সালাতের মধ্যে অবশ্যই জরুরি কাজ আছে। এই কথাটি সালাতের মর্যাদা ও মনোযোগের দিকে ইঙ্গিত করে। সালাতে সালামের জবাব, নামাজে কথা বলা এবং সালাতে মনোযোগ—এসব বিষয়ে হাদিসটি সহজ শিক্ষা দেয়। হাদিসে শুধু এতটুকুই এসেছে যে পরে সালামের জবাব দেওয়া হয়নি এবং সালাতের ব্যস্ততার কথা বলা হয়েছে। তাই ব্যাখ্যাও এই সীমায় রাখা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাত এমন ইবাদত, যেখানে মনোযোগ ও ব্যস্ততা আছে।
- সালাতরত ব্যক্তিকে সালাম দিলে তিনি কথা বলে জবাব নাও দিতে পারেন।
- রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم সাহাবিদের ধীরে ধীরে সালাতের আদব শিখিয়েছেন।
