২/১৭৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৯৪৬ - সালাতে কাঁকর সরানোর সীমিত অনুমতি
সালাতরত অবস্থায় পাথর কুচি সরানো
সালাতে পাথরকুচি সরানো: কখন একবার করা যায়
সুনানে আবূ দাউদ : ৯৪৬
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৯৪৬
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ مُعَيْقِيبٍ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ قَالَ «لاَ تَمْسَحْ وَأَنْتَ تُصَلِّي فَإِنْ كُنْتَ لاَ بُدَّ فَاعِلاً فَوَاحِدَةً تَسْوِيَةَ الْحَصَى» .
মু’আয়ক্বীব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন, সালাতরত অবস্থায় তুমি পাথরকুচি সরাবে না। যদি সরাতেই হয় তবে কেবল একবার পাথরকুচি সরিয়ে জায়গা সমান করতে পারো।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৯৪৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিস সালাতের ভেতরে অপ্রয়োজনীয় নড়াচড়া কমানোর শিক্ষা দেয়। নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, সালাতরত অবস্থায় পাথরকুচি সরাবে না। তবে যদি সরাতেই হয়, তাহলে শুধু একবার জায়গা সমান করতে পারো। এখানে নিষেধের সঙ্গে একটি সীমিত ছাড়ও আছে। অর্থাৎ সালাতের জায়গা একেবারে অসুবিধাজনক হলে সামান্য ঠিক করা যেতে পারে, কিন্তু বারবার হাত চালানো বা ব্যস্ত হওয়া উচিত নয়। তাই এই হাদিসের প্রধান কীওয়ার্ড হলো সালাতে পাথরকুচি সরানো, নামাজে জায়গা সমান করা এবং সালাতে অপ্রয়োজনীয় কাজ। হাদিসটি মুসল্লিকে শেখায়—সালাতে যত কম বাহ্যিক ব্যস্ততা থাকবে, মন তত বেশি সালাতে রাখা সহজ হবে। এতে বোঝা যায়, প্রয়োজনকে স্বীকার করা হয়েছে, কিন্তু অভ্যাস বানানো হয়নি। মুসল্লির লক্ষ্য থাকবে সালাতের কাজেই মন রাখা এবং অকারণ হাত না চালানো।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতরত অবস্থায় পাথরকুচি সরাতে নিষেধ করা হয়েছে।
- প্রয়োজন হলে শুধু একবার জায়গা সমান করার কথা এসেছে।
- বারবার নড়াচড়া সালাতের মনোযোগে বাধা হতে পারে।
- সালাতের জায়গা ঠিক করার ক্ষেত্রেও সংযম দরকার।
