১৫/১৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১০২৪ - বৃষ্টির নামাজ ও সশব্দ কিরাআত
বৃষ্টি প্রার্থনার সালাতে শব্দ সহকারে কিরাআত পাঠ।
বৃষ্টির নামাজ: দুই রাকাত ও সশব্দ কিরাআতের বর্ণনা
সহীহ বুখারী : ১০২৪
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১০২৪
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ تَمِيمٍ، عَنْ عَمِّهِ، قَالَ خَرَجَ النَّبِيُّ ﷺ يَسْتَسْقِي فَتَوَجَّهَ إِلَى الْقِبْلَةِ يَدْعُو، وَحَوَّلَ رِدَاءَهُ، ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ جَهَرَ فِيهِمَا بِالْقِرَاءَةِ.
'আব্বাদ ইবনু তামীম (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বৃষ্টির দোয়ার জন্য বের হলেন, কেবলামুখী হয়ে দোয়া করলেন এবং নিজের চাদরখানি উল্টে দিলেন। অতঃপর দু‘রাক‘আত সালাত আদায় করলেন। তিনি উভয় রাক‘আতে সশব্দে কির’আত পাঠ করলেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ১০২৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো ইসতিসকা সালাতের পদ্ধতি। নবীজি (صلى الله عليه وسلم) বৃষ্টির দোয়ার জন্য বের হলেন। তিনি কেবলামুখী হয়ে দোয়া করলেন এবং নিজের চাদর উল্টে দিলেন। এরপর তিনি দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন। বর্ণনায় আরও আছে, তিনি উভয় রাকাতে সশব্দে কিরাআত পড়েছেন। এখানে ইসতিসকার কয়েকটি বিষয় একসঙ্গে পাওয়া যায়: দোয়া, কেবলামুখী হওয়া, চাদর উল্টানো, দুই রাকাত সালাত এবং সশব্দ কিরাআত। হাদিসটি আমাদের জন্য সহজ শিক্ষা দেয় যে বৃষ্টির অভাবে আল্লাহর কাছে দোয়া ও সালাতের মাধ্যমে ফিরে যেতে হয়। এতে বান্দার অসহায়ত্ব ও আল্লাহর রহমতের আশা প্রকাশ পায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইসতিসকার জন্য নবীজি বাইরে বের হয়েছেন বলে বর্ণনায় এসেছে।
- দোয়ার সময় কেবলামুখী হওয়ার কথা আছে।
- ইসতিসকার সালাত দুই রাকাত হিসেবে আদায় করা হয়েছে।
- দুই রাকাতে সশব্দে কিরাআত পড়ার বর্ণনা পাওয়া যায়।
