১৯/৭. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১১৩৩ - সাহরীর সময় নবীজির বিশ্রামের বর্ণনা
সাহরীর সময় যে নিদ্রা যায়।
সাহরীর সময় ও বিশ্রাম: নবীজির রাতের জীবনের একটি দিক
সহীহ বুখারী : ১১৩৩
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১১৩৩
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، قَالَ ذَكَرَ أَبِي عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ قَالَتْ مَا أَلْفَاهُ السَّحَرُ عِنْدِي إِلاَّ نَائِمًا. تَعْنِي النَّبِيَّ ﷺ.
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি আমার নিকট ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায়ই সাহ্রীর সময় হত। অর্থাৎ নবী (ﷺ)।
সহীহ বুখারী হাদিস ১১৩৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়েশা (রাঃ) নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর একটি সংক্ষিপ্ত অবস্থা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, তাঁর কাছে সাহরীর সময় আসত, আর তখন নবী (صلى الله عليه وسلم) ঘুমন্ত থাকতেন। বর্ণনাটি খুব ছোট, তাই এর বাইরে বড় কোনো দাবি করা ঠিক নয়। তবে এতটুকু বোঝা যায়, রাতের ইবাদতের পাশাপাশি নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর জীবনে বিশ্রামও ছিল। তাহাজ্জুদ, ফজরের প্রস্তুতি ও সাহরীর সময়ের আলোচনায় এই হাদিস একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক দেখায়। ইসলামি আমলে ইবাদত আছে, আবার শরীরের প্রয়োজনও আছে। তাই এই বর্ণনাকে রাতের আমল ও বিশ্রামের ভারসাম্য হিসেবে সহজভাবে বোঝা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর জীবনে ইবাদতের সঙ্গে বিশ্রামও ছিল।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস থেকে সীমার বাইরে বড় দাবি করা উচিত নয়।
- সাহরীর সময় রাতের শেষ ভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়।
- ইবাদতের জীবনে শরীরের প্রয়োজন অস্বীকার করা হয়নি।
