২/৮. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৪ - রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর ভালোবাসা ও ঈমান
আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-কে ভালবাসা ঈমানের অন্তর্ভুক্ত।
রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর ভালোবাসা: ঈমানের সঙ্গে হৃদয়ের সম্পর্ক
সহীহ বুখারী : ১৪
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৪
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، قَالَ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ " فَوَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لاَ يُؤْمِنُ أَحَدُكُمْ حَتَّى أَكُونَ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنْ وَالِدِهِ وَوَلَدِهِ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেনঃ সেই আল্লাহর শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ, তোমাদের কেউ প্রকৃত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি তার নিকট তার পিতা ও সন্তানাদির চেয়ে অধিক ভালবাসার পাত্র হই।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم-এর প্রতি ভালোবাসার গুরুত্ব এসেছে। আল্লাহর রসূল صلى الله عليه وسلم শপথ করে বলেন, তোমাদের কেউ প্রকৃত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি তার কাছে তার পিতা ও সন্তানাদির চেয়ে বেশি ভালোবাসার পাত্র হই। এখানে ভালোবাসা শুধু আবেগ নয়; নবী صلى الله عليه وسلم-এর মর্যাদা, তাঁর আনুগত্য এবং তাঁর নির্দেশকে প্রাধান্য দেওয়ার বিষয়ও এর সঙ্গে যুক্ত। তবে হাদিসে সরাসরি পিতা ও সন্তানের তুলনা এসেছে, তাই ব্যাখ্যাও সেই সীমায় রাখা হলো। মানুষের জীবনে পিতা-মাতা ও সন্তান খুব প্রিয়। কিন্তু ঈমানের দিক থেকে রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর প্রতি ভালোবাসা আরও অগ্রাধিকার পায়। প্রধান কীওয়ার্ড হলো রাসূলকে ভালোবাসা হাদিস, প্রকৃত মুমিন, ঈমান ও ভালোবাসা। এই হাদিস আমাদের হৃদয়ের অগ্রাধিকার যাচাই করতে শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর প্রতি ভালোবাসা ঈমানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- পিতা ও সন্তানের চেয়েও রাসূল صلى الله عليه وسلم-কে বেশি ভালোবাসার কথা হাদিসে এসেছে।
- ঈমান শুধু বিশ্বাস নয়, ভালোবাসার সঙ্গেও জড়িত।
- নিজের হৃদয়ের অগ্রাধিকার যাচাই করা দরকার।
