২৫/৬৩. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৬১৬ - তাওয়াফ, দুই রাকাত ও সাফা-মারওয়া সাঈ
মক্কায় আগমন করে গৃহে প্রত্যাবর্তনের পূর্বে বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করা। অতঃপর দুই রাকাত সালাত আদায় করে সাফার দিকে (সাঈ করতে) যাওয়া।
হজ্জ ও উমরায় তাওয়াফ থেকে সাঈ পর্যন্ত নবীজির পদ্ধতি
সহীহ বুখারী : ১৬১৬
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৬১৬
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ حَدَّثَنَا أَبُو ضَمْرَةَ أَنَسٌ حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ كَانَ إِذَا طَافَ فِي الْحَجِّ أَوْ الْعُمْرَةِ أَوَّلَ مَا يَقْدَمُ سَعَى ثَلاَثَةَ أَطْوَافٍ وَمَشَى أَرْبَعَةً ثُمَّ سَجَدَ سَجْدَتَيْنِ ثُمَّ يَطُوفُ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) মক্কায় উপনীত হয়ে হজ বা ‘উমরাহ উভয় অবস্থায় সর্বপ্রথম যে তাওয়াফ করতেন, তার প্রথম তিন চক্করে রামল করতেন এবং পরবর্তী চার চক্করে স্বাভাবিকভাবে হেঁটে চলতেন। তাওয়াফ শেষে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করে সাফা ও মারওয়ায় সা‘ঈ করতেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৬১৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে হজ্জ বা উমরায় মক্কায় এসে নবী صلى الله عليه وسلم-এর আমলের ধারাবাহিকতা বর্ণিত হয়েছে। তিনি প্রথম তাওয়াফে তিন চক্করে রামল করতেন এবং পরের চার চক্করে স্বাভাবিকভাবে হাঁটতেন। তাওয়াফ শেষে তিনি দুই রাকাত সালাত আদায় করতেন। এরপর সাফা ও মারওয়ার মাঝে সাঈ করতেন। হাদিসটি তাওয়াফ, রামল, সালাত ও সাঈ—এই কয়েকটি কাজকে একসঙ্গে সাজিয়ে দেয়। এতে বোঝা যায়, ইবাদতের কাজগুলো এলোমেলো নয়; নবী صلى الله عليه وسلم-এর আমলে একটি পরিষ্কার ধারাবাহিকতা ছিল। ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে হাদিসের সীমা মানলে দেখা যায়, এখানে মূলত প্রথম তাওয়াফের পরবর্তী কাজগুলোই বলা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রথম তাওয়াফে তিন চক্করে রামল করা হয়েছে।
- বাকি চার চক্করে স্বাভাবিকভাবে হাঁটা হয়েছে।
- তাওয়াফ শেষে দুই রাকাত সালাতের কথা এসেছে।
- এরপর সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ করা হয়েছে।
