২৫/১০৭. অধ্যায়ঃ

সহীহ বুখারী হাদিস ১৬৯৮ - মদীনা থেকে হাদি পাঠালেও মুহরিম নয়

উট এবং গরুর জন্য কিলাদা পাকানো।

মদীনা থেকে হাদি পাঠানো: ইহরামের নিষেধাজ্ঞা নিজে নিজে আসে না

সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৬৯৮

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ حَدَّثَنَا ابْنُ شِهَابٍ عَنْ عُرْوَةَ وَعَنْ عَمْرَةَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمٰنِ أَنَّ عَائِشَةَ قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللهِ ﷺ يُهْدِي مِنْ الْمَدِينَةِ فَأَفْتِلُ قَلاَئِدَ هَدْيِهِ ثُمَّ لاَ يَجْتَنِبُ شَيْئًا مِمَّا يَجْتَنِبُهُ الْمُحْرِمُ

'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আল্লাহর রাসূল (ﷺ) মদীনা হতে কুরবানীর পশু পাঠাতেন, আমি তার গলায় কিলাদার মালা পাকিয়ে দিতাম। এরপর মুহরিম যে কাজ বর্জন করে, তিনি তার কিছু বর্জন করতেন না।

সহীহ বুখারী হাদিস ১৬৯৮-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আয়েশা (রাঃ) বলেন, আল্লাহর রাসূল (صلى الله عليه وسلم) মদীনা থেকে কুরবানির পশু পাঠাতেন। তিনি নিজে সেই পশুর গলায় কিলাদার মালা পাকিয়ে দিতেন। এরপর নবী (صلى الله عليه وسلم) মুহরিম ব্যক্তি যে কাজগুলো বর্জন করে, সেগুলোর কিছুই বর্জন করতেন না। এই বর্ণনার মূল শিক্ষা হলো, কুরবানির পশু পাঠানো মানেই পাঠানো ব্যক্তি মুহরিম হয়ে গেলেন—এমন নয়। হাদিসে “মদীনা থেকে পাঠানো”, “কিলাদা পাকানো” এবং “মুহরিমের বর্জনীয় কাজ বর্জন না করা”—এই তিনটি বিষয় সরাসরি এসেছে। তাই এ হাদিস হাদি পাঠানো ও ইহরামের বিধানের পার্থক্য বোঝায়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নবী (صلى الله عليه وسلم) মদীনা থেকে কুরবানির পশু পাঠাতেন।
  • আয়েশা (রাঃ) হাদির কিলাদা পাকিয়ে দিতেন।
  • হাদি পাঠানোর পরও নবী (صلى الله عليه وسلم) মুহরিমের বর্জনীয় কাজ বর্জন করতেন না।
  • হাদি পাঠানো এবং ইহরাম বাঁধা এক বিষয় নয়—এটি বর্ণনায় বোঝা যায়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন