২৮/১৯. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৮৪৮ - কামড় ও ক্ষতিপূরণের বিচার
অজ্ঞাতাবস্থায় যদি কেউ জামা পরিধান করে ইহরাম বাঁধে।
وَقَالَ عَطَاءٌ إِذَا تَطَيَّبَ أَوْ لَبِسَ جَاهِلًا أَوْ نَاسِيًا فَلَا كَفَّارَةَ عَلَيْهِ‘আত্বা (রহঃ) বলেন, অজ্ঞতাবশত বা ভুলক্রমে যদি কেউ সুগন্ধি মাখে অথবা জামা পরিধান করে, তাহলে তার উপর কোনো কাফফারা নেই।"
কামড়ের ঘটনায় বিচার: নালিশ বাতিল করার হাদিস
সহীহ বুখারী : ১৮৪৮
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৮৪৮
وَعَضَّ رَجُلٌ يَدَ رَجُلٍ ـ يَعْنِي فَانْتَزَعَ ثَنِيَّتَهُ ـ فَأَبْطَلَهُ النَّبِيُّ ﷺ.
বর্ণনাকারী হতে বর্ণিতঃ
এক ব্যক্তি অন্য একজনের হাত কামড়িয়ে ধরলে তার সামনের দু’টি দাঁত উৎপাটিত হয়ে যায়, এ সংক্রান্ত নালিশ নবী (ﷺ) বাতিল করে দেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৮৪৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে একটি বিচারসংক্রান্ত ঘটনার কথা এসেছে। এক ব্যক্তি অন্য একজনের হাত কামড়ে ধরে। এরপর ঘটনার ফলে কামড় দেওয়া ব্যক্তির সামনের দুটি দাঁত উৎপাটিত হয়ে যায়। বিষয়টি নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে নালিশ হিসেবে আনা হলে তিনি সেই নালিশ বাতিল করে দেন। বর্ণনাটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এতে একটি স্পষ্ট দিক দেখা যায়: অন্যের শরীরে কষ্টদায়কভাবে কামড় দেওয়ার মতো কাজকে হালকা করে দেখা হয়নি। এখানে দাঁত ভাঙার ঘটনার দাবি গ্রহণ করা হয়নি। তবে হাদিসে অতিরিক্ত শর্ত বা বিস্তারিত বিচারপ্রক্রিয়া বলা হয়নি। তাই ব্যাখ্যাও এই ঘটনার সীমার মধ্যেই রাখা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অন্যের হাত কামড়ে ধরা অন্যায় ও কষ্টদায়ক কাজ।
- কামড় দেওয়ার পর দাঁত ভাঙার নালিশ নবী (صلى الله عليه وسلم) বাতিল করেছেন।
- বিচারের ক্ষেত্রে ঘটনার আসল কারণ গুরুত্ব পেয়েছে।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনা থেকে বাড়তি বিধান বানানো উচিত নয়।
