৩০/৬৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৯৯০ - ঈদুল ফিতর ও কুরবানির দিনে সাওম নিষেধ
ঈদুল ফিতরের দিবসে সওম করা।
ঈদুল ফিতর ও কুরবানির দিনে সাওম নেই
সহীহ বুখারী : ১৯৯০
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৯৯০
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ يُوسُفَ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ أَبِي عُبَيْدٍ مَوْلَى ابْنِ أَزْهَرَ قَالَ شَهِدْتُ الْعِيدَ مَعَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ فَقَالَ هَذَانِ يَوْمَانِ نَهَى رَسُولُ اللهِ ﷺ عَنْ صِيَامِهِمَا يَوْمُ فِطْرِكُمْ مِنْ صِيَامِكُمْ وَالْيَوْمُ الآخَرُ تَأْكُلُونَ فِيهِ مِنْ نُسُكِكُمْقَالَ أَبُو عَبْد اللهِ قَالَ ابْنُ عُيَيْنَةَ مَنْ قَالَ مَوْلَى ابْنِ أَزْهَرَ فَقَدْ أَصَابَ وَمَنْ قَالَ مَوْلَى عَبْدِ الرَّحْمٰنِ بْنِ عَوْفٍ فَقَدْ أَصَابَ
আবূ ‘উবাইদ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি একদা ঈদে ‘উমর ইব্নুল খাত্তাব (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম, তখন তিনি বললেন, আল্লাহ্র রাসূল (ﷺ) এই দুই দিনে সাওম পালন করতে নিষেধ করেছেন। (ঈদুল ফিতরের দিন) যে দিন তোমরা তোমাদের সাওম ছেড়ে দাও। আরেক দিন, যেদিন তোমরা তোমাদের কুরবানীর গোশত খাও। আবূ ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) বলেন, ইব্নু ‘উয়ায়নাহ (রহঃ) বলেন, যিনি ইব্নু আযহারের মাওলা বলে উল্লেখ করেছেন, তিনি ঠিক বর্ণনা করেছেন; আর যিনি ‘আবদুর রহমান ইব্নু ‘আওফ (রাঃ)- এর মাওলা বলেছেন, তিনিও ঠিক বর্ণনা করেছেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৯৯০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) ঈদের দিনে মানুষের সামনে নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর নিষেধ স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (صلى الله عليه وسلم) দুই দিনে সাওম রাখতে নিষেধ করেছেন—ঈদুল ফিতরের দিন এবং কুরবানির ঈদের দিন। ঈদুল ফিতর হলো সাওম শেষ করার দিন। আর কুরবানির ঈদ হলো কুরবানির গোশত খাওয়ার দিন। এই হাদিসে ঈদের সাওম নিষেধ খুব সহজভাবে বোঝানো হয়েছে। ইসলামে সাওম যেমন ইবাদত, তেমন কিছু দিন আছে যখন সাওম না রাখাই নবীজির নির্দেশ অনুসরণ করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঈদুল ফিতর ও কুরবানির দিনে সাওম রাখা নিষেধ।
- ঈদুল ফিতর সাওম শেষ করার দিন।
- কুরবানির ঈদ কুরবানির খাবার গ্রহণের দিন হিসেবে এসেছে।
