৩০/৬৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৯৯১ - ঈদের সাওম, পোশাক ও বসার আদব
ঈদুল ফিতরের দিবসে সওম করা।
ঈদের সাওম নিষেধ এবং পোশাকের শালীনতা
সহীহ বুখারী : ১৯৯১
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৯৯১
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ يَحْيَى عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ قَالَ نَهَى النَّبِيُّ ﷺ عَنْ صَوْمِ يَوْمِ الْفِطْرِ وَالنَّحْرِ وَعَنْ الصَّمَّاءِ وَأَنْ يَحْتَبِيَ الرَّجُلُ فِي ثَوْبٍ وَاحِدٍ
আবূ সাঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহ্র রাসূল (ﷺ) ঈদুল ফিতরের দিন এবং কুরবানীর ঈদের দিন সাওম পালন করা হতে, ‘সাম্মা’ ধরণের কাপড় পরিধান করতে, এক কাপড় পরিধানরত অবস্থায় দুই হাঁটু তুলে নিতম্বের উপর বসতে (কেননা এতে সতর প্রকাশ পাওয়ার আশংকা রয়েছে)।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৯৯১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কয়েকটি নিষেধ একসাথে এসেছে। নবীজি (صلى الله عليه وسلم) ঈদুল ফিতর ও কুরবানির ঈদের দিনে সাওম রাখতে নিষেধ করেছেন। একই সঙ্গে ‘সাম্মা’ ধরনের কাপড় পরা এবং এক কাপড়ে এমনভাবে বসা, যাতে সতর প্রকাশের আশঙ্কা থাকে—এসব থেকেও নিষেধ এসেছে। তাই এই হাদিসের মূল অংশ হলো ঈদের সাওম নিষেধ, আর এর সঙ্গে পোশাক ও বসার শালীনতার দিকও আছে। ব্যাখ্যায় আলাদা করে বড় কোনো বিধান যোগ না করে বলা যায়—ইবাদত, পোশাক ও আচরণে নবীজির নির্দেশনা মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে গুছিয়ে দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঈদুল ফিতর ও কুরবানির দিনে সাওম রাখা নিষেধ।
- পোশাকের ক্ষেত্রে সতর রক্ষার বিষয়টি খেয়াল রাখা দরকার।
- বসার ভঙ্গিতেও শালীনতা বজায় রাখা জরুরি।
