৩৮/২. অধ্যায়ঃ

সহীহ বুখারী হাদিস ২২৮৮ - হাওয়ালা গ্রহণ ও ঋণ আদায়ের আদব

যখন (ঋণ) কোন আমীর ব্যক্তির হাওয়ালা করা হয়, তখন (তা মেনে নেয়ার পর) তার পক্ষে প্রত্যাখ্যান করার ইখতিয়ার নেই।

হাওয়ালা ও ঋণ: পাওনাদারের হক আদায়ের শিক্ষা

সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২২৮৮

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ ابْنِ ذَكْوَانَ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ «مَطْلُ الْغَنِيِّ ظُلْمٌ، وَمَنْ أُتْبِعَ عَلَى مَلِيٍّ فَلْيَتَّبِعْ ".

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) বলেন, ধনী ব্যক্তির পক্ষ হতে ঋণ পরিশোধে গড়িমসি করা জুলুম। যাকে (তার পাওনার জন্য) ধনীর হাওয়ালা করা হয়, সে যেন তা মেনে নেয়।

সহীহ বুখারী হাদিস ২২৮৮-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন, ধনী ব্যক্তির পক্ষ থেকে ঋণ পরিশোধে গড়িমসি করা জুলুম। আগের বর্ণনার মতো এখানেও একই মূল শিক্ষা আছে। যার হাতে পরিশোধের সামর্থ্য আছে, সে পাওনাদারকে অযথা অপেক্ষায় রাখবে না। আরও বলা হয়েছে, যাকে তার পাওনার জন্য কোনো ধনী ব্যক্তির হাওয়ালা করা হয়, সে যেন তা মেনে নেয়। এতে লেনদেন সহজ হয় এবং পাওনা আদায়ের একটি গ্রহণযোগ্য পথ তৈরি হয়। হাদিসটির মূল শব্দগুলো ঋণ, গড়িমসি, জুলুম এবং হাওয়ালা—এই চারটি বিষয়কে কেন্দ্র করে। তাই ইসলামী লেনদেনে সময়মতো পরিশোধ, হক আদায় এবং বাস্তবসম্মত সমাধানকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই শিক্ষা বারবার আসা থেকে বোঝা যায়, ঋণের হক আদায়ে অবহেলা করা খুবই গুরুতর বিষয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • ঋণ আদায়ে অযথা বিলম্ব করা জুলুমের অন্তর্ভুক্ত।
  • হাওয়ালা পাওনা আদায়ের একটি গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি হিসেবে এসেছে।
  • লেনদেনে সহজ পথ থাকলে তা গ্রহণ করা উচিত।
  • সামর্থ্যবান ব্যক্তির জন্য পাওনা আটকে রাখা উচিত নয়।

এই সম্পর্কিত হাদিসসমূহ

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন