৪০/১৩. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ২৩১৫ - অপরাধ স্বীকারোক্তি ও শরয়ী বিচার
(শরীয়ত নির্ধারিত শাস্তি) দণ্ড প্রয়োগের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ করা।
শরয়ী বিচার ও স্বীকারোক্তি: উনাইস (রাঃ)-এর দায়িত্ব
সহীহ বুখারী : ২৩১৫
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২৩১৫
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ عَبْدِ اللهِ عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ وَأَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ وَاغْدُ يَا أُنَيْسُ إِلَى امْرَأَةِ هَذَا فَإِنْ اعْتَرَفَتْ فَارْجُمْهَا
যাইদ ইব্নু খালিদ (রাঃ) ও আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
হে উনাইস (ইবনু যিহাক আসলামী) সে মহিলার নিকট যাও। যদি সে (অপরাধ) স্বীকার করে তবে তাকে প্রস্তর নিক্ষেপে হত্যা কর।
সহীহ বুখারী হাদিস ২৩১৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) উনাইস (রাঃ)-কে এক মহিলার কাছে যেতে বলেন। নির্দেশ ছিল, যদি সে অপরাধ স্বীকার করে, তবে তাকে প্রস্তর নিক্ষেপে হত্যা করা হবে। বর্ণনাটি ছোট হলেও বিচারিক দায়িত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে। এখানে সরাসরি স্বীকারোক্তির কথা আছে। অর্থাৎ বিষয়টি যাচাই ছাড়া বলা হয়নি। তবে এই হাদিস থেকে সাধারণ মানুষের জন্য কোনো ব্যক্তিগত ব্যবস্থা নেওয়ার শিক্ষা নেওয়া যাবে না। কারণ হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) নিজে একজন সাহাবীকে দায়িত্ব দিয়ে পাঠিয়েছেন। তাই এ বর্ণনার মূল শিক্ষা হলো, শরয়ী বিচার গুরুতর বিষয় এবং তা দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের অধীনে যাচাইসহ সম্পন্ন হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অপরাধের বিষয়ে স্বীকারোক্তি যাচাই করার কথা এসেছে।
- শরয়ী শাস্তি ব্যক্তিগতভাবে প্রয়োগের বিষয় নয়।
- গুরুতর বিচারে দায়িত্বশীলতা দরকার।
- হাদিস সংক্ষিপ্ত হলে তার বাইরে বাড়তি দাবি করা উচিত নয়।
