৪৭/৯. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ২৪৯৬ - শুফআ ফায়সালা ও সম্পত্তির সীমা
যদি অংশীদাররা ঘর, বাগান ইত্যাদি ভাগ করে নেয় তবে পুনরায় একত্রিত করার এবং শুফআ দাবি করার হক তাদের থাকে না।
শুফআ ফায়সালা: ভাগের আগে অগ্রাধিকার, ভাগের পর নয়
সহীহ বুখারী : ২৪৯৬
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২৪৯৬
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ قَضَى النَّبِيُّ ﷺ بِالشُّفْعَةِ فِي كُلِّ مَا لَمْ يُقْسَمْ، فَإِذَا وَقَعَتِ الْحُدُودُ وَصُرِّفَتِ الطُّرُقُ فَلاَ شُفْعَةَ.
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) সব ধরনের অবণ্টিত স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে শুফ‘আর ফায়সালা দিয়েছেন। এরপর সীমানা নির্ধারণ করে পথ আলাদা করে নেয়া হলে শুফ‘আর অধিকার থাকে না।
সহীহ বুখারী হাদিস ২৪৯৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবীজি صلى الله عليه وسلم-এর শুফআ বিষয়ে ফায়সালার কথা বলা হয়েছে। জাবির রাঃ জানান, সব ধরনের অবণ্টিত স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে শুফআ প্রযোজ্য। অর্থাৎ সম্পত্তি এখনো ভাগ না হলে এবং শরীকানা সম্পর্ক থাকলে বিক্রির ক্ষেত্রে শরীকের অগ্রাধিকার থাকে। কিন্তু যখন সীমানা ঠিক হয়ে যায় এবং পথ আলাদা করে নেওয়া হয়, তখন শুফআর অধিকার থাকে না। এই হাদিস সম্পত্তির লেনদেনে স্পষ্ট নিয়ম দেয়। এতে বোঝা যায়, ভাগ হওয়ার আগের অবস্থান আর ভাগ হয়ে যাওয়ার পরের অবস্থান এক নয়। শরীকী সম্পত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় অন্য শরীকের অধিকার দেখা দরকার। তবে সীমানা ও পথ আলাদা হলে প্রত্যেকে নিজের অংশে আলাদা মালিক হিসেবে থাকে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শুফআ অবণ্টিত স্থাবর সম্পত্তির সঙ্গে যুক্ত একটি অধিকার।
- সীমানা ও পথ আলাদা হলে শুফআ অধিকার থাকে না।
- শরীকী সম্পত্তির লেনদেনে অন্য শরীকের অধিকার বিবেচনা করতে হয়।
- সম্পত্তি ভাগের বিষয় পরিষ্কার করা ভবিষ্যৎ ঝামেলা কমাতে পারে।
