৫২/৯. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ২৬৫২ - সাক্ষ্য ও কসমে সতর্কতা
অন্যায়ের পক্ষে সাক্ষী বানানো হলেও সাক্ষ্য দিবে না।
সাক্ষ্য ও কসমে সতর্কতা: সহিহ বুখারী ২৬৫২ এর শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ২৬৫২
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২৬৫২
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَبِيدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ ـ رضى الله عنه ـ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ «خَيْرُ النَّاسِ قَرْنِي، ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ، ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ، ثُمَّ يَجِيءُ أَقْوَامٌ تَسْبِقُ شَهَادَةُ أَحَدِهِمْ يَمِينَهُ، وَيَمِينُهُ شَهَادَتَهُ». قَالَ إِبْرَاهِيمُ وَكَانُوا يَضْرِبُونَنَا عَلَى الشَّهَادَةِ وَالْعَهْدِ.
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমার যুগের লোকেরাই সর্বোত্তম ব্যক্তি, অতঃপর যারা তাদের নিকটবর্তী। অতঃপর যারা তাদের নিকটবর্তী। এরপর এমন সব ব্যক্তি আসবে যারা কসম করার আগেই সাক্ষ্য দিবে, আবার সাক্ষ্য দেয়ার আগে কসম করে বসবে। ইবরাহীম (নাখ্ঈ) (রহঃ) বলেন, আমাদেরকে সাক্ষ্য দিলে ও অঙ্গীকার করলে মারতেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ২৬৫২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেন, তাঁর যুগের মানুষ উত্তম, এরপর তাদের নিকটবর্তী মানুষ, এরপর তাদের নিকটবর্তী মানুষ। এরপর এমন লোক আসবে, যাদের একজনের সাক্ষ্য কসমের আগে চলে আসবে, আবার কসম সাক্ষ্যের আগে চলে আসবে। ইব্রাহিম (রহঃ) বলেন, তাদেরকে সাক্ষ্য ও অঙ্গীকারের ব্যাপারে শাসন করা হতো। সাক্ষ্য ও কসম হাদিসের শিক্ষা হলো, সত্য বলা, কসম করা এবং সাক্ষ্য দেওয়া—এসব খুব দায়িত্বের কাজ। এগুলো মুখের সাধারণ কথা নয়। অকারণে কসম বা অস্থির সাক্ষ্য সমাজে আস্থার ক্ষতি করতে পারে। তাই মুসলিমকে কথার ভার বুঝে কথা বলতে হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাক্ষ্য ও কসমের ব্যাপারে হালকাভাবে কথা বলা উচিত নয়।
- উত্তম যুগের মানুষদের সততা ও সংযম থেকে শিক্ষা নেওয়া দরকার।
- অঙ্গীকার ও সাক্ষ্য সত্যের সঙ্গে যুক্ত থাকা উচিত।
