৫৬/৪৩. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ২৮৫০ - ঘোড়ায় কেয়ামত পর্যন্ত কল্যাণ
ঘোড়ার কপালের কেশদামে কল্যাণ বিধিবদ্ধ আছে কেয়ামত অবধি।
ঘোড়ায় কল্যাণ: কেয়ামত পর্যন্ত নবীজির ঘোষণা
সহীহ বুখারী : ২৮৫০
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২৮৫০
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ حُصَيْنٍ، وَابْنِ أَبِي السَّفَرِ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الْجَعْدِ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ «الْخَيْلُ مَعْقُودٌ فِي نَوَاصِيهَا الْخَيْرُ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ». قَالَ سُلَيْمَانُ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ.
‘উরওয়াহ ইব্নু আবুল জা’দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
ঘোড়ার কপালের কেশগুচ্ছে কেয়ামত পর্যন্ত কল্যাণ আছে। সুলাইমান (রহঃ) শুবা (রহঃ) সূত্রে ‘উরওয়াহ ইব্নু আবুল জা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। হাদীস বর্ণনায় সুলাইমান (রহঃ)-এর অনুসরণ করেছেন মুসাদ্দাদ (রহঃ)......উরওয়া ইব্নু আবু জা’দ (রাঃ) হতে।
সহীহ বুখারী হাদিস ২৮৫০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, ঘোড়ার কপালের কেশগুচ্ছে কেয়ামত পর্যন্ত কল্যাণ বাঁধা রয়েছে। বর্ণনার শেষে রাবিদের সূত্রসংক্রান্ত তথ্যও এসেছে, যেখানে উরওয়া ইবনু আবু জাদ থেকে বর্ণনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মূল বক্তব্য হলো ঘোড়ার কল্যাণ। তখনকার সময়ে ঘোড়া ছিল সাহস, প্রস্তুতি ও চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। বিশেষ করে আল্লাহর পথে কাজের সঙ্গে এর সম্পর্ক ছিল। এই হাদিসে ঘোড়াকে নিজে পূজার বস্তু বা অস্বাভাবিক কিছু বলা হয়নি; বরং তার সঙ্গে কল্যাণ থাকার কথা বলা হয়েছে। তাই ব্যাখ্যার সময় বিষয়টি সঠিকভাবে রাখা দরকার। হাদিসটি মুমিনকে প্রস্তুতি, উপকরণের সঠিক ব্যবহার এবং আল্লাহর পথে কাজে লাগার মূল্য বুঝতে সাহায্য করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঘোড়ার সঙ্গে কল্যাণ থাকার কথা নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন।
- দ্বীনের কাজে ব্যবহৃত উপকরণ মূল্যবান হতে পারে।
- হাদিস বুঝতে মূল বাক্যের সীমা রক্ষা করা জরুরি।
