৫৬/৪৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ২৮৫২ - ঘোড়ায় সওয়াব ও গনীমতের কল্যাণ
জিহাদ চলতে থাকবে সৎ বা অসৎ লোকের নেতৃত্বে।
ঘোড়ার ফজিলত: আখিরাতের পুরস্কার ও গনীমতের শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ২৮৫২
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২৮৫২
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا زَكَرِيَّاءُ، عَنْ عَامِرٍ، حَدَّثَنَا عُرْوَةُ الْبَارِقِيُّ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ قَالَ «الْخَيْلُ مَعْقُودٌ فِي نَوَاصِيهَا الْخَيْرُ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ الأَجْرُ وَالْمَغْنَمُ».
উরওয়া আল-বারিকী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন, ঘোড়ার কপালের কেশ গুচ্ছে কল্যাণ রয়েছে কেয়ামত পর্যন্ত। অর্থাৎ (আখিরাতের) পুরস্কার এবং গনীমতের মাল।
সহীহ বুখারী হাদিস ২৮৫২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, ঘোড়ার কপালের কেশগুচ্ছে কেয়ামত পর্যন্ত কল্যাণ রয়েছে। এরপর ব্যাখ্যা হিসেবে এসেছে—আখিরাতের পুরস্কার এবং গনীমতের মাল। এই বর্ণনায় ঘোড়ার কল্যাণের বিষয়টি আরও পরিষ্কার হয়েছে। এখানে ঘোড়ার ফজিলত আল্লাহর পথে ব্যবহারের সঙ্গে যুক্ত। সেই সময় যুদ্ধ ও চলাচলে ঘোড়া ছিল বড় উপকরণ। তাই হাদিসটি শুধু প্রাণীর প্রশংসা নয়; বরং আল্লাহর পথে প্রস্তুতি ও কাজের সঙ্গে যুক্ত কল্যাণের কথা বলে। একজন মুমিনের জন্য শিক্ষা হলো, নিয়ত ভালো হলে এবং কাজ আল্লাহর পথে হলে ব্যবহৃত উপকরণও সওয়াবের পথে সাহায্য করতে পারে। তবে হাদিসের বাইরে কোনো অতিরিক্ত প্রতিশ্রুতি যোগ করা উচিত নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঘোড়ার সঙ্গে কেয়ামত পর্যন্ত কল্যাণ থাকার কথা এসেছে।
- এ কল্যাণের মধ্যে আখিরাতের পুরস্কার ও গনীমতের কথা উল্লেখ হয়েছে।
- আল্লাহর পথে প্রস্তুতি নেওয়ার উপকরণও গুরুত্ব পায়।
