৬০/১৭. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৩৩৮০ - আম্বিয়া কিরাম (আঃ)
আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ আর সামূদ জাতির প্রতি তাদেরই ভাই সালিহকে পাঠিয়েছিলাম- (হূদঃ ৬১)। আল্লাহ আরো বলেন, হিজরবাসীরা রাসূলগণের প্রতি মিথ্যারোপ করেছিল- (হিজরঃ ৮০)।
الْحِجْرُ مَوْضِعُ ثَمُودَ ﴾وَأَمَّا حَرْثُ حِجْرٌ﴿ حَرَامٌ وَكُلُّ مَمْنُوعٍ فَهُوَ حِجْرٌ مَحْجُورٌ وَالْحِجْرُ كُلُّ بِنَاءٍ بَنَيْتَهُوَمَا حَجَّرْتَ عَلَيْهِ مِنَ الْأَرْضِ فَهُوَ حِجْرٌ وَمِنْهُ سُمِّيَ حَطِيمُ الْبَيْتِ حِجْرًا كَأَنَّهُ مُشْتَقٌّ مِنْ مَحْطُومٍ مِثْلُ قَتِيلٍ مِنْمَقْتُولٍ وَيُقَالُ لِلْأُنْثَى مِنَ الْخَيْلِ الْحِجْرُ وَيُقَالُ لِلْعَقْلِ حِجْرٌ وَحِجًى وَأَمَّا حَجَرُ الْيَمَامَةِ فَهُوَ مَنْزِلٌالْحِجْرُ হিজর সামূদ সম্প্রদায়ের বসবাসের স্থান। حِرْثٌ অর্থ নিষিদ্ধ ক্ষেত। প্রত্যেকনিষিদ্ধ বস্তুকে حِجْرٌ বলা হয়। আর এ অর্থেই مَحْجُورٌ বলা হয়ে থাকে। الْحِجْرُ তুমি যে সব ভবননির্মাণ কর। তুমি যমীনের যে অংশ ঘেরাও করে রাখ তাও حِجْرٌ এ কারণেই হাতীমে কা‘বাকেحِجْرٌ নামে অভিহিত করা হয়। তা যেন حَطِيمٌ শব্দটি مَحْطُومٌ অর্থে ব্যবহৃত যেমন قَتِيلٌ শব্দটি مَقْتُولٍঅর্থে ব্যবহৃত। ঘোটকী্কেও حِجْرٌ বলা হয়। আর বুদ্ধি-বিবেকের অর্থে حِجْرٌ وَحِجًى বলা হয়। তবেحَجَرُ الْيَمَامَةِ একটি স্থানের নাম।"
সহীহ বুখারী : ৩৩৮০
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৩৩৮০
حَدَّثَنِي مُحَمَّدٌ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ أَخْبَرَنِي سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ ـ رضى الله عنهم أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ لَمَّا مَرَّ بِالْحِجْرِ قَالَ «لاَ تَدْخُلُوا مَسَاكِنَ الَّذِينَ ظَلَمُوا إِلاَّ أَنْ تَكُونُوا بَاكِينَ، أَنْ يُصِيبَكُمْ مَا أَصَابَهُمْ». ثُمَّ تَقَنَّعَ بِرِدَائِهِ، وَهْوَ عَلَى الرَّحْلِ.
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) যখন ‘হিজ্র’ নামক স্থান অতিক্রম করলেন, তখন তিনি বললেন, তোমরা এমন লোকদের আবাস স্থল প্রবেশ করো না যারা নিজেরাই নিজেদের উপর জুলুম করেছে। প্রবেশ করলে, ক্রন্দনরত অবস্থায়, যেন তাদের প্রতি যে বিপদ এসেছিল তোমাদের প্রতি সে রকম বিপদ না আসে। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বাহনের উপর আরোহী অবস্থায় নিজ চাদর দিয়ে চেহারা ঢেকে নিলেন।
