৬০/৪৮. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৩৪৪৪ - আম্বিয়া কিরাম (আঃ)
মহান আল্লাহর বাণীঃ আর এ কিতাবে বর্ণনা করুন মারিয়ামের কথা, যখন সে নিজ পরিবারের লোকদের থেকে পৃথক হলো। (মারিয়াম ১৬)
﴾نَبَذْنَاهُ﴿ أَلْقَيْنَاهُ اعْتَزَلَتْ شَرْقِيًّا مِمَّا يَلِي الشَّرْقَ ﴾فَأَجَاءَهَا﴿ أَلْجَأَهَا اضْطَرَّهَا ﴾تَسَاقَطْ﴿ تَسْقُطْ ﴾قَصِيًّا﴿ قَاصِيًا فَرِيًّا عَظِيمًا قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ ﴾نِسْيًا﴿ لَمْ أَكُنْ شَيْئًا وَقَالَ غَيْرُهُ النِّسْيُ الْحَقِيرُ وَقَالَ أَبُو وَائِلٍ عَلِمَتْ مَرْيَمُ أَنَّ التَّقِيَّ ذُو نُهْيَةٍ حِينَ قَالَتْ ﴾إِنْ كُنْتَ تَقِيًّا﴿ (مريم: ١٨) قَالَ وَكِيعٌ عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنِ الْبَرَاءِ ﴾سَرِيًّا﴿ نَهْرٌ صَغِيرٌ بِالسُّرْيَانِيَّةِ﴾نَبَذْنَاهُ﴿ শব্দটি الشَّرْقِ শব্দ থেকে, যার অর্থ পূর্বদিকে। ﴾فَأَجَاءَهَا﴿ শব্দটি جِئْتُ হতে এর রূপে হয়েছে। أَلْجَأَهَا এর স্থলে لَجَأَ ও বলা হয়েছে যার অর্থ হবে তাকে অধীর করে তুললো। تَسَاقَطْ শব্দটি تَسْقُطْ এর অর্থ দেবে। قَصِيًّا শব্দটি قَاصِيًا এর অর্থে ব্যবহৃত। فَرِيًّا অর্থ বিশাল। ইবন ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, نِسْيًا অর্থ আমার অস্তিত্ব না থাকে। অন্যেরা বলেছেন, النِّسْيُ অর্থ তুচ্ছ, ঘৃণিত। আবূ ওয়াইল (রহঃ) বলেছেন, মারিয়ামের উক্তি إِنْ كُنْتَ تَقِيًّا এর অর্থ যদি তুমি জ্ঞানী হও। ওকী (রহঃ)....বলেন, বারা (রাঃ) হতে বর্ণিত। سَرِيًّا শব্দটির অর্থ সিরীয় ভাষায় ছোট নদী।"
সহীহ বুখারী : ৩৪৪৪
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৩৪৪৪
وَحَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ «رَأَى عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ رَجُلاً يَسْرِقُ، فَقَالَ لَهُ أَسَرَقْتَ قَالَ كَلاَّ وَاللَّهِ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ. فَقَالَ عِيسَى آمَنْتُ بِاللَّهِ وَكَذَّبْتُ عَيْنِي».
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেন, ‘ঈসা (আঃ) এক লোককে চুরি করতে দেখলেন, তখন তিনি বললেন, তুমি কি চুরি করেছ? সে বলল, কক্ষণও নয়। সেই সত্তার কসম! যিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই। তখন ‘ঈসা (আঃ) বললেন, আমি আল্লাহ্র উপর ঈমান এনেছি আর আমি আমার দু’চোখ অবিশ্বাস করলাম।
