৬৪/১২. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৪০২২ - বদরী সাহাবীদের মর্যাদা
পরিচ্ছেদ নেই
বদরী সাহাবীদের মর্যাদা ও ভাতার হাদিস
সহীহ বুখারী : ৪০২২
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৪০২২
إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيْمَ سَمِعَ مُحَمَّدَ بْنَ فُضَيْلٍ عَنْ إِسْمَاعِيْلَ عَنْ قَيْسٍ كَانَ عَطَاءُ الْبَدْرِيِّيْنَ خَمْسَةَ آلَافٍ خَمْسَةَ آلَافٍ وَقَالَ عُمَرُ لَأُفَضِّلَنَّهُمْ عَلَى مَنْ بَعْدَهُمْ
কায়স (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
বাদ্র যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সাহাবীদের ভাতা পাঁচ হাজার পাঁচ হাজার করে নির্ধারিত ছিল। ‘‘উমর (রাঃ) বলেছেন, অবশ্যই আমি বদর যুদ্ধে শরীক সাহাবীদেরকে পরবর্তী লোকদের হতে অধিক মর্যাদা দেব।
সহীহ বুখারী হাদিস ৪০২২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সাহাবীদের মর্যাদা নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কথা এসেছে। বর্ণনায় বলা হয়েছে, বদরী সাহাবীদের ভাতা পাঁচ হাজার করে নির্ধারিত ছিল। উমর (রাঃ) বলেন, তিনি বদরে শরীক সাহাবীদের পরবর্তী লোকদের চেয়ে বেশি মর্যাদা দেবেন। এখানে বদর যুদ্ধের হাদিসের আলোচনায় আমরা দেখি, ইসলামি সমাজে প্রথম দিকের বড় ত্যাগ ও অংশগ্রহণকে স্মরণ করা হয়েছে। এই হাদিস থেকে কোনো নতুন বিধান বানানো ঠিক নয়; বরং সরাসরি বর্ণনা অনুযায়ী বলা যায়, উমর (রাঃ) বদরী সাহাবীদের বিশেষ সেবা ও অবস্থানকে সম্মান করেছেন। বদরী সাহাবীদের মর্যাদা বিষয়টি তাই ইতিহাস ও সাহাবীদের সম্মানের সঙ্গে যুক্ত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দ্বীনের জন্য আগের ত্যাগ ও অংশগ্রহণকে সম্মান করা হয়েছে।
- উমর (রাঃ) বদরী সাহাবীদের বিশেষ মর্যাদা দিতে চেয়েছিলেন।
- সমাজে দায়িত্ব ও অবদানের মূল্যায়ন করা ন্যায়সংগত হতে পারে।
