৬৪/৪৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৪২৫৭ - সাফা-মারওয়ার সাঈ ও শক্তির প্রকাশ
উমরাহ কাযার বর্ণনা
ذَكَرَهُ أَنَسٌ عَنْ النَّبِيِّ ﷺ.আনাস (রাঃ) নবী (ﷺ) থেকে তা বর্ণনা করেছেন।"
সাফা-মারওয়ার সাঈ: শক্তি দেখানোর হাদিস
সহীহ বুখারী : ৪২৫৭
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৪২৫৭
مُحَمَّدٌ عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ عَنْ عَمْرٍو عَنْ عَطَاءٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا قَالَ إِنَّمَا سَعَى النَّبِيُّ ﷺ بِالْبَيْتِ وَبَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ لِيُرِيَ الْمُشْرِكِيْنَ قُوَّتَهُ.
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বাইতুল্লাহ এবং সাফা ও মারওয়া-এর মধ্যখানে এ জন্যই সাঈ করেছিলেন, যেন মুশরিকদেরকে তাঁর শৌর্য-বীর্য দেখাতে পারেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ৪২৫৭-এর সারসংক্ষেপ
ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর এই বর্ণনা খুব সংক্ষিপ্ত। তিনি বলেন, নবী (صلى الله عليه وسلم) বাইতুল্লাহ এবং সাফা-মারওয়ার মধ্যখানে সাঈ করেছিলেন, যেন মুশরিকদেরকে তাঁর শক্তি দেখাতে পারেন। এখানে মূল কথা হলো, সেই সময় মুশরিকদের সামনে মুসলিমদের দুর্বল নয়, শক্তিশালী হিসেবে তুলে ধরা। আগের বর্ণনায় যেমন তাওয়াফে রমলের কথা এসেছে, এখানেও সাঈর মাধ্যমে শক্তি প্রকাশের দিক বোঝানো হয়েছে। হাদিসটি থেকে সাধারণভাবে বলা যায়, কখনও কাজের মাধ্যমে ভুল ধারণার জবাব দেওয়া দরকার হয়। তবে এই বর্ণনার বাইরে গিয়ে সাঈর সব বিধান বা আলাদা ফজিলত এখানে বলা হয়নি। তাই ব্যাখ্যাটি সীমিত থাকবে—সাফা-মারওয়ার সাঈ, মুশরিকদের সামনে শক্তি দেখানো এবং নবীজির বাস্তব নেতৃত্ব।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কাজের মাধ্যমে মনোবল ও শক্তি দেখানো যেতে পারে।
- মুশরিকদের ভুল ধারণার জবাব বাস্তব আচরণে দেওয়া হয়েছে।
- বর্ণনার সীমার বাইরে অতিরিক্ত বিধান যোগ করা উচিত নয়।
