৬৪/৫৩. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৪২৯৯ - সফরে কসর সালাতের সীমা
মাক্কা বিজয়ের সময় নবী (ﷺ)-এর সেখানে অবস্থানকালের পরিমাণ
সফরে কসর সালাত: উনিশ দিন পর্যন্ত ইবনু আব্বাস রাঃ-এর আমল
সহীহ বুখারী : ৪২৯৯
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৪২৯৯
أَحْمَدُ بْنُ يُوْنُسَ حَدَّثَنَا أَبُوْ شِهَابٍ عَنْ عَاصِمٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ أَقَمْنَا مَعَ النَّبِيِّ ﷺ فِيْ سَفَرٍ تِسْعَ عَشْرَةَ نَقْصُرُ الصَّلَاةَ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ وَنَحْنُ نَقْصُرُ مَا بَيْنَنَا وَبَيْنَ تِسْعَ عَشْرَةَ فَإِذَا زِدْنَا أَتْمَمْنَا.
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
সফরে আমরা নবী (ﷺ)-এর সঙ্গে উনিশ দিন (মক্কা বিজয়কালে) অবস্থান করেছিলাম। [৭৩] ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, আমরা সফরে উনিশ দিন পর্যন্ত কসর করতাম। এর চেয়ে অধিক দিন থাকলে আমরা পূর্ণ সালাত আদায় করতাম।
[৭৩] হাদীসের পণ্ডিতগণের মতে আনাস (রাঃ) বর্ণিত হাদীসে বিদায় হাজ্জের সফরে এবং ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত হাদীসে মাক্কাহ বিজয়কালে মাক্কায় অবস্থানের মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।
সহীহ বুখারী হাদিস ৪২৯৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো সফরে কসর সালাত। ইবনু আব্বাস রাঃ বলেন, সফরে তাঁরা নবী صلى الله عليه وسلم-এর সঙ্গে উনিশ দিন অবস্থান করেছিলেন এবং সালাত কসর করতেন। এরপর তিনি বলেন, তাঁরা সফরে উনিশ দিন পর্যন্ত কসর করতেন; এর চেয়ে বেশি দিন থাকলে পূর্ণ সালাত আদায় করতেন। এই হাদিসে দুইটি বিষয় স্পষ্ট। প্রথমত, নবী صلى الله عليه وسلم-এর সঙ্গে সফরে উনিশ দিন কসর করার ঘটনা এসেছে। দ্বিতীয়ত, ইবনু আব্বাস রাঃ তাঁদের আমলের কথা বলেছেন—উনিশ দিন পর্যন্ত কসর, তার বেশি হলে পূর্ণ। তাই কসর নামাজ কত দিন পড়া যায়—এই প্রশ্নে এই হাদিস একটি গুরুত্বপূর্ণ বর্ণনা। তবে পূর্ণ ফিকহি সিদ্ধান্তে আলেমদের বিস্তারিত আলোচনা থাকে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم-এর সঙ্গে সফরে উনিশ দিন কসর সালাতের বর্ণনা এসেছে।
- ইবনু আব্বাস রাঃ উনিশ দিন পর্যন্ত কসর করার আমল বলেছেন।
- উনিশ দিনের বেশি হলে তাঁরা পূর্ণ সালাত আদায় করতেন বলে বর্ণনা এসেছে।
- কসর সালাতের আলোচনায় সময়সীমার বিষয়টি এই হাদিসে স্পষ্ট।
