৮/৬৯. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৪৫৫ - হাবশীদের বর্শা খেলার বর্ণনা
মসজিদের মিম্বারের উপর ক্রয়-বিক্রয়ের আলোচনা।
হাবশীদের বর্শা খেলা: সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় বৈধ আনন্দের ইঙ্গিত
সহীহ বুখারী : ৪৫৫
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৪৫৫
زَادَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَالْحَبَشَةُ يَلْعَبُونَ بِحِرَابِهِمْ.
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
‘উরওয়া ‘আয়িশা (রাঃ) হতে অতিরিক্ত বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ আমি নবী (ﷺ) কে দেখলাম এমতাবস্থায় হাবশিরা তাদের বর্শা বল্লম নিয়ে খেলা করছিল।
সহীহ বুখারী হাদিস ৪৫৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়েশা (রাঃ) সংক্ষেপে বলেন, তিনি নবী (صلى الله عليه وسلم)-কে দেখেছেন, আর তখন হাবশীরা তাদের বর্শা-বল্লম নিয়ে খেলা করছিল। এটি আগের বর্ণনার একটি সংক্ষিপ্ত অতিরিক্ত অংশ। এখানে মূল কথা হলো, নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর উপস্থিতিতে হাবশীদের বর্শা খেলার দৃশ্য দেখা গেছে। হাদিসের বাইরে গিয়ে কোনো বাড়তি দাবি করা ঠিক নয়। তবে হাদিসের সরল বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, কিছু ধরনের খেলা বা প্রদর্শনী নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সামনে ঘটেছিল। এটি আমাদের শেখায়, ইসলাম মানুষের স্বাভাবিক আনন্দকে একেবারে অস্বীকার করে না; তবে তা শালীনতা ও সীমার মধ্যে হওয়া দরকার—এ কথা অন্য বর্ণনার আলোকে স্কলাররা বলেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাবশীদের বর্শা খেলার ঘটনা আয়েশা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন।
- বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত, তাই এর বাইরে অতিরিক্ত দাবি করা উচিত নয়।
- ইসলামী স্কলারদের মতে, বৈধ আনন্দ শালীন সীমার মধ্যে হতে পারে।
