৬৫/১৬১. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৪৬৬৪ - ইবনু যুবাইরের পারিবারিক মর্যাদা
আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ {ثَانِيَ اثْنَيْنِ إِذْ هُمَا فِي الْغَارِ إِذْ يَقُوْلُ لِصَاحِبِهٰ لَا تَحْزَنْ إِنَّ اللهَ مَعَنَا}
ইবনু যুবাইর (রাঃ)-এর বংশ পরিচয় ও সম্মান
সহীহ বুখারী : ৪৬৬৪
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৪৬৬৪
عَبْدُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ ابْنِ أَبِيْ مُلَيْكَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا أَنَّهُ قَالَ حِيْنَ وَقَعَ بَيْنَهُ وَبَيْنَ ابْنِ الزُّبَيْرِ قُلْتُ أَبُوْهُ الزُّبَيْرُ وَأُمُّهُ أَسْمَاءُ وَخَالَتُهُ عَائِشَةُ وَجَدُّهُ أَبُوْ بَكْرٍ وَجَدَّتُهُ صَفِيَّةُ فَقُلْتُ لِسُفْيَانَ إِسْنَادُهُ فَقَالَ حَدَّثَنَا فَشَغَلَهُ إِنْسَانٌ وَلَمْ يَقُلْ ابْنُ جُرَيْجٍ
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
যখন তাঁর ও ইবনু যুবায়র (রাঃ)-এর মধ্যে (বাইআত নিয়ে) মতভেদ ঘটল, তখন আমি বললাম, তাঁর পিতা যুবায়র (রাঃ), তাঁর মাতা আসমা (রাঃ) ও তাঁর খালা ‘আয়িশাহ (রাঃ), তাঁর নানা আবূ বাক্র (রাঃ) ও তাঁর নানী সুফিয়া (রাঃ)। আমি সুফ্ইয়ানকে বললাম, এর সানাদ বর্ণনা করুন। তিনি বললেন, حَدَّثَنَا এবং ইবনু জুরাইজ (রহঃ) বলার আগেই অন্য এক ব্যক্তি তাঁকে ব্যস্ত করে ফেললেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ৪৬৬৪-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় ইবনু আব্বাস (রাঃ) ও ইবনু যুবাইর (রাঃ)-এর মধ্যে মতভেদের কথা এসেছে। তবে মূল বক্তব্য হলো ইবনু যুবাইর (রাঃ)-এর সম্মানিত পারিবারিক পরিচয় তুলে ধরা। বলা হয়েছে, তাঁর পিতা যুবাইর, মাতা আসমা, খালা আয়েশা, নানা আবু বকর এবং নানি সাফিয়্যা। এরপর বর্ণনাকারী সুফিয়ানকে সনদ জানতে চাইলে তিনি “হাদ্দাসানা” বলেন, কিন্তু অন্য একজন তাঁকে ব্যস্ত করে ফেলায় বাকিটা বলেননি। তাই এখানে বায়াত বা রাজনৈতিক মতভেদের বিস্তারিত বিচার নয়; বরং বর্ণনায় যেটুকু এসেছে, সেটুকুই শিক্ষা। একজন ব্যক্তির পরিচয় বলার সময় ন্যায্যভাবে তার ভালো দিক ও সম্পর্কগুলো উল্লেখ করা—এটিও একটি আমানত। এতে সাহাবিদের মর্যাদা আলোচনা করার সময় সংযম ও সততার গুরুত্বও বোঝা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মতভেদ থাকলেও কারও পরিচয় ও মর্যাদা ন্যায্যভাবে বলা উচিত।
- ইবনু যুবাইর (রাঃ)-এর পরিবারে বহু সম্মানিত সাহাবি ছিলেন।
- সনদ বর্ণনার ক্ষেত্রে বর্ণনাকারীদের সতর্কতা এই হাদিসে দেখা যায়।
