৬৫/২৩৮. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৪৭৫২ - কুরআন তিলাওয়াতে আয়িশা (রাঃ)-এর পাঠ
পরিচ্ছেদ নাই।
কুরআন কিরাআত: إِذْ تَلِقُونَهُ শব্দের পাঠ
সহীহ বুখারী : ৪৭৫২
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৪৭৫২
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيْمُ بْنُ مُوْسَى حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ يُوْسُفَ أَنَّ ابْنَ جُرَيْجٍ أَخْبَرَهُمْ قَالَ ابْنُ أَبِيْ مُلَيْكَةَ سَمِعْتُ عَائِشَةَ تَقْرَأُ ﴾إِذْ تَلِقُوْنَه” بِأَلْسِنَتِكُمْ﴿.
ইব্নু আবূ মুলাইকাহ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি ‘আয়িশাহ (রাঃ) إِذْ تَلِقُونَهُ بِأَلْسِنَتِكُمْ পড়েছেন। অর্থাৎ (تَلِقُونَهُ এর ل এর মধ্যে কাসরা বা যের এবং ق এর উপর যুম্মা বা পেশ দিয়ে পড়েছেন)।
সহীহ বুখারী হাদিস ৪৭৫২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু আবী মুলাইকা বলেন, তিনি আয়িশা (রাঃ)-কে সূরা নূরের একটি অংশ إِذْ تَلِقُونَهُ بِأَلْسِنَتِكُمْ এভাবে পড়তে শুনেছেন। বাংলা অনুবাদে উল্লেখ আছে, তিনি শব্দটির নির্দিষ্ট উচ্চারণ—লাম-এর নিচে যের এবং ক্বাফের ওপর পেশ দিয়ে—পড়েছেন। বর্ণনাটি মূলত কুরআন তিলাওয়াত ও কিরাআতের সূক্ষ্ম দিকের সঙ্গে যুক্ত। এখানে কোনো দীর্ঘ ফিকহি আলোচনা নেই; শুধু একজন সাহাবিয়ার পাঠের ধরন সংরক্ষিত হয়েছে। তাই এই হাদিস আমাদের শেখায়, কুরআনের শব্দ, উচ্চারণ ও পাঠের ভিন্ন রেওয়ায়েত মুসলিম জ্ঞানভাণ্ডারে যত্নের সঙ্গে সংরক্ষিত হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরআনের পাঠ ও উচ্চারণ সাহাবীদের মাধ্যমে সংরক্ষিত হয়েছে।
- আয়িশা (রাঃ)-এর কিরাআতের একটি নির্দিষ্ট রূপ এখানে এসেছে।
- তিলাওয়াতে শব্দের উচ্চারণের গুরুত্ব আছে।
- ছোট বর্ণনাও কুরআন শিক্ষার মূল্যবান অংশ হতে পারে।
