৬৬/১৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৫০১৬ - অসুস্থতায় মু’আব্বিযাত পাঠ
মু‘আব্বিযাত (সূরা ফালাক ও সূরা নাস)-এর ফজিলত।
অসুস্থ হলে মু’আব্বিযাত পড়ে ফুঁক দেওয়ার আমল
সহীহ বুখারী : ৫০১৬
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫০১৬
عَبْدُ اللهِ بْنُ يُوْسُفَ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ ﷺ كَانَ إِذَا اشْتَكَى يَقْرَأُ عَلَى نَفْسِهِ بِالْمُعَوِّذَاتِ وَيَنْفُثُ فَلَمَّا اشْتَدَّ وَجَعُهُ كُنْتُ أَقْرَأُ عَلَيْهِ وَأَمْسَحُ بِيَدِهِ رَجَاءَ بَرَكَتِهَا
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
যখনই নবী (ﷺ) অসুস্থ হতেন তখনই তিনি ‘সূরায়ে মু’আব্বিযাত’ পড়ে নিজের উপর ফুঁক দিতেন। যখন রোগ কঠিন হয়ে গেল, তখন বারাকাত অর্জনের জন্য আমি এই সূরা পাঠ করে তাঁর হাত দিয়ে শরীর মাসহ্ করিয়ে দিতাম।
সহীহ বুখারী হাদিস ৫০১৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা রাঃ বলেন, নবী صلى الله عليه وسلم অসুস্থ হলে মু’আব্বিযাত পড়ে নিজের ওপর ফুঁক দিতেন। যখন তাঁর রোগ কঠিন হলো, তখন আয়িশা রাঃ সেই সূরা পড়ে তাঁর ওপর পড়তেন এবং বরকতের আশায় তাঁর হাত দিয়ে শরীর মাসেহ করিয়ে দিতেন। এখানে মু’আব্বিযাত বলতে আশ্রয় চাওয়ার সূরাগুলো বোঝানো হয়েছে, যা হাদিসের ভাষায় এসেছে। এই বর্ণনায় অসুস্থতার সময় কুরআন পাঠ, ফুঁক দেওয়া এবং নবী صلى الله عليه وسلم-এর হাতে বরকতের আশা—এই বিষয়গুলো আছে। তবে এটিকে চিকিৎসার সবকিছুর বদলি বলা হয়নি। হাদিসের সীমার মধ্যে থেকে বলা যায়, অসুস্থতায় কুরআনের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া নবী صلى الله عليه وسلم-এর আমলের অংশ ছিল।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم অসুস্থ হলে মু’আব্বিযাত পড়তেন।
- কুরআন পড়ে ফুঁক দেওয়ার আমল এই বর্ণনায় এসেছে।
- আয়িশা রাঃ নবী صلى الله عليه وسلم-এর হাত দিয়ে মাসেহ করাতেন।
- অসুস্থতায় আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া মুমিনের কাজ।
