৬৬/২৬. অধ্যায়ঃ

সহীহ বুখারী হাদিস ৫০৩৯ - কুরআন ভুলে যাওয়ার ভাষা নিয়ে সতর্কতা

কুরআন মুখস্থ করে ভুলে যাওয়া এবং কেউ কি বলতে পারে, আমি অমুক অমুক আয়াত ভুলে গেছি?

وَكَذَا وَقَوْلُ اللَّهِ تَعَالَى : ﴾سَنُقْرِئُكَ فَلَا تَنْسَى إِلَّا مَا شَاءَ اللَّهُ﴿.এবং আল্লাহ তা‘আলা বলেন: অবশ্যই আমি তোমাকে পাঠ করাবো, ফলে তুমি ভুলে যাবে না, অবশ্য আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন তা ছাড়া.....।"

আয়াত ভুলে যাওয়ার ভাষা: কুরআনের প্রতি সতর্কতা

সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫০৩৯

أَبُوْ نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مَنْصُوْرٍ عَنْ أَبِيْ وَائِلٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ بِئْسَ مَا لِأَحَدِهِمْ يَقُوْلُ نَسِيْتُ آيَةَ كَيْتَ وَكَيْتَ بَلْ هُوَ نُسِّيَ.

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) বলেছেন, কোন লোক এ কথা কেন বলে যে, আমি অমুক অমুক আয়াত ভুলে গেছি; বরং (আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে) তাকে ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে।

সহীহ বুখারী হাদিস ৫০৩৯-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন, কেউ কেন বলে যে, আমি অমুক অমুক আয়াত ভুলে গেছি; বরং বলা হয়েছে, তাকে ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। হাদিসটি খুব ছোট, কিন্তু কুরআনের প্রতি ভাষা ও মনোভাবের সতর্কতা শেখায়। মানুষ ভুলে যেতে পারে—এ বাস্তবতা আছে। তবে কুরআনের আয়াতের ক্ষেত্রে নিজের অবহেলাকে সাধারণভাবে বলার বদলে নম্র ভাষা ব্যবহার করা উচিত—হাদিসের বক্তব্য থেকে এতটুকু বোঝা যায়। এই বর্ণনাকে আগের হাদিসগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে দেখলে কুরআন তিলাওয়াত ও পুনরাবৃত্তির গুরুত্বও স্পষ্ট হয়। তবে এই হাদিসে সরাসরি যে কথা এসেছে, সেটাই প্রধান: “আমি ভুলে গেছি” বলার ভঙ্গি সম্পর্কে সতর্কতা।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • কুরআনের আয়াত ভুলে যাওয়ার বিষয়ে ভাষা ব্যবহারে সতর্ক থাকা দরকার।
  • নিজের দুর্বলতা বুঝে নম্রভাবে কথা বলা ভালো।
  • কুরআনের সঙ্গে সম্পর্ক অবহেলার নয়, যত্নের হওয়া উচিত।
  • সংক্ষিপ্ত হাদিস থেকেও বড় আদব শেখা যায়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন