৬৭/১৮. অধ্যায়ঃ

সহীহ বুখারী হাদিস ৫০৯৬ - পুরুষের জন্য ফিতনার সতর্কতা

অশুভ স্ত্রীলোকদের থেকে দূরে থাকা। আল্লাহ বলেন:

﴾إِنْ مِنْ أَزْوَاجِكُمْ وَأَوْلادِكُمْ عَدُوًّا لَكُمْ﴿“তোমাদের স্ত্রী আর সন্তানদের মধ্যে কতক তোমাদের শত্রু।” (সূরা আত-তাগাবুন ৬৪/১৪)"

নারী ফিতনা: পুরুষের দৃষ্টি ও চরিত্র রক্ষার সতর্কতা

সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫০৯৬

آدَمُ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا عُثْمَانَ النَّهْدِيَّ عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ عَنْ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ مَا تَرَكْتُ بَعْدِي فِتْنَةً أَضَرَّ عَلَى الرِّجَالِ مِنَ النِّسَاءِ.

উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) বলেন, পুরুষের জন্য স্ত্রীজাতি অপেক্ষা অধিক ক্ষতিকর কোন ফিত্‌না আমি রেখে গেলাম না।

সহীহ বুখারী হাদিস ৫০৯৬-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, তিনি তাঁর পরে পুরুষদের জন্য নারীর চেয়ে অধিক ক্ষতিকর কোনো ফিতনা রেখে যাননি। এখানে মূল শিক্ষা পুরুষদের জন্য সতর্কতা। হাদিসটি নারীকে অপমান করার জন্য নয়; বরং পুরুষের দুর্বলতা, আকর্ষণ, দৃষ্টি ও আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করার বিষয়ে জাগিয়ে দেয়। ইসলাম পুরুষকে নিজের অন্তর, চোখ, কথা ও সম্পর্কের সীমা রক্ষা করতে বলে। যখন মানুষ সীমা মানে না, তখন সম্পর্ক, পরিবার ও চরিত্রে ক্ষতি হতে পারে। তাই নারী ফিতনা হাদিস নিয়ে কথা বলার সময় ভারসাম্য জরুরি—এটি পুরুষকে আত্মসংযম, তাকওয়া এবং দায়িত্বশীল আচরণের শিক্ষা দেয়। অতিরঞ্জন বা নারীবিদ্বেষী ব্যাখ্যা এই হাদিসের সহজ শিক্ষাকে নষ্ট করতে পারে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • পুরুষের জন্য দৃষ্টি ও আচরণ সংযত রাখা জরুরি।
  • আকর্ষণের জায়গায় তাকওয়া ও আত্মনিয়ন্ত্রণ দরকার।
  • হাদিসটি নারীকে হেয় করার জন্য নয়, বরং সতর্কতার জন্য।
  • সম্পর্কের সীমা না মানলে চরিত্র ও পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন