৬৭/৪২. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৫১৩৭ - কুমারী মেয়ের নীরব সম্মতি
পিতা বা অভিভাবক কুমারী অথবা বিবাহিতা মেয়েকে তাদের সম্মতি ছাড়া বিবাহ দিতে পারে না।
কুমারীর সম্মতি: চুপ থাকাকে অনুমতি বলার হাদিস
সহীহ বুখারী : ৫১৩৭
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫১৩৭
عَمْرُو بْنُ الرَّبِيعِ بْنِ طَارِقٍ قَالَ أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ عَنْ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ عَنْ أَبِي عَمْرٍو مَوْلَى. عَائِشَةَ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّهَا قَالَتْ يَا رَسُوْلَ اللهِ إِنَّ الْبِكْرَ تَسْتَحِي قَالَ رِضَاهَا صَمْتُهَا.
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
হে আল্লাহ্র রাসূল! নিশ্চয়ই কুমারী মেয়েরা লজ্জা করে। নবী (ﷺ) বলেন, চুপ থাকাটাই হচ্ছে তার সম্মতি।
সহীহ বুখারী হাদিস ৫১৩৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কুমারী মেয়ের অনুমতি নেওয়ার বিষয়টি সহজভাবে এসেছে। আয়িশা রাঃ বলেন, হে আল্লাহর রাসূল, কুমারী মেয়েরা তো লজ্জা করে। অর্থাৎ তারা সরাসরি কথা বলতে সংকোচ করতে পারে। নবী صلى الله عليه وسلم জবাবে বলেন, তার চুপ থাকাই তার সম্মতি। হাদিসটি দেখায়, বিয়ের ক্ষেত্রে মেয়ের ইচ্ছা অগ্রাহ্য করা যায় না। তবে কুমারী মেয়ের স্বভাবগত লজ্জাকেও বিবেচনা করা হয়েছে। তাই অনুমতি নেওয়ার সময় এমন পরিবেশ দরকার, যেখানে সে অস্বস্তিতে না পড়ে। এখানে মূল কথা হলো, তার নীরবতা তখনই অর্থপূর্ণ, যখন তাকে অনুমতি চাওয়া হয়েছে এবং সে আপত্তি জানায়নি। তবে চুপ থাকাকে জোর করে অনুমতি বানানো যাবে না। হাদিসের ভাষা থেকে বোঝা যায়, আগে অনুমতি চাওয়ার বিষয় আছে, এরপর তার লজ্জাজনিত নীরবতাকে সম্মতি বলা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুমারী মেয়ের লজ্জা বিবেচনা করা হয়েছে।
- তার চুপ থাকা অনুমতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- বিয়েতে মেয়ের ইচ্ছা জানার দরকার আছে।
- অনুমতি নেওয়ার সময় সম্মান ও কোমলতা থাকা উচিত।
