৬৭/৭২. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৫১৭৩ - ওয়ালিমার দাওয়াত গ্রহণের গুরুত্ব
ওয়ালীমার দাওয়াত গ্রহণ করা কর্তব্য। যদি কেউ একাধারে সাত দিন অথবা অনুরূপ অধিক দিন ওয়ালীমার ব্যবস্থা করে।
وَلَمْ يُوَقِّتِ النَّبِيُّ ﷺ يَوْمًا وَلاَ يَوْمَيْنِ.কেননা নবী (ﷺ) ওয়ালীমার সময় এক বা দু’ দিন ধার্য করেননি"
ওয়ালিমার দাওয়াত গ্রহণ হাদিস: বিয়ের দাওয়াতে যাওয়ার নির্দেশ
সহীহ বুখারী : ৫১৭৩
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫১৭৩
عَبْدُ اللهِ بْنُ يُوسُفَ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ ﷺ قَالَ إِذَا دُعِيَ أَحَدُكُمْ إِلَى الْوَلِيمَةِ فَلْيَأْتِهَا.
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন, তোমাদের কাউকে ওয়ালীমার দাওয়াত করা হলে তা অবশ্যই গ্রহণ করবে।
সহীহ বুখারী হাদিস ৫১৭৩-এর সারসংক্ষেপ
কোর টপিক: দাওয়াত গ্রহণ। এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم খুব সংক্ষিপ্ত ভাষায় বলেছেন, তোমাদের কাউকে ওয়ালিমার দাওয়াত করা হলে সে যেন তাতে যায়। এখানে মূল বিষয় হলো, বিয়ের দাওয়াতকে গুরুত্ব দেওয়া। ওয়ালিমা শুধু খাবার খাওয়ার বিষয় নয়; এটি সামাজিক সম্পর্ক, খুশিতে অংশ নেওয়া এবং আমন্ত্রণের সম্মান রাখার একটি কাজ। তবে হাদিসে কোনো বিশেষ শর্ত বা ব্যতিক্রম বিস্তারিতভাবে বলা হয়নি, তাই এই বর্ণনা ব্যাখ্যা করতে হলে মূল কথার মধ্যেই থাকা ভালো। ওয়ালিমার দাওয়াত গ্রহণ হাদিস, বিয়ের দাওয়াতে যাওয়া এবং ইসলামে দাওয়াতের আদব জানতে চাইলে এই হাদিস সরাসরি নির্দেশনা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ওয়ালিমার দাওয়াতকে গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ এসেছে।
- আমন্ত্রণ গ্রহণ সামাজিক সম্পর্কের সম্মান রক্ষা করে।
- হাদিসটি সংক্ষিপ্ত, তাই অতিরিক্ত শর্ত এই বর্ণনা থেকে বানানো ঠিক নয়।
