৬৮/২. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৫২৫৩ - হায়েজে দেওয়া তালাকের গণনা
হায়েয অবস্থায় তালাক দিলে তা তালাক বলে গণ্য হবে।
হায়েজ অবস্থায় দেওয়া তালাক এক তালাক গণ্য হওয়ার বর্ণনা
সহীহ বুখারী : ৫২৫৩
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫২৫৩
أَبُو مَعْمَرٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ حُسِبَتْ عَلَيَّ بِتَطْلِيقَةٍ.
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবূ মা’মার বলেনঃ ‘আবদুল ওয়ারিস আইউব থেকে, তিনি সা’ঈদ ইব্ন যুবায়র থেকে, তিনি ইব্ন ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ এটিকে আমার উপর এক তালাক গণ্য করা হয়েছিল।
সহীহ বুখারী হাদিস ৫২৫৩-এর সারসংক্ষেপ
এই ছোট হাদিসে ইবন উমর (রাঃ) বলেন, তাঁর হায়েজ অবস্থায় দেওয়া তালাকটি তাঁর উপর এক তালাক হিসেবে গণ্য করা হয়েছিল। আগের বর্ণনাগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে এই হাদিসটি তালাকের বিষয়ে সতর্কতা বাড়ায়। মানুষ অনেক সময় রাগ, তাড়াহুড়া বা অজ্ঞতার কারণে এমন কথা বলে ফেলে, যার আইনগত ও পারিবারিক প্রভাব হয়। এখানে মূল শিক্ষা হলো, তালাকের শব্দ ব্যবহার করা খেলাচ্ছলে বা আবেগে করা যায় না। যদিও হায়েজ অবস্থায় তালাক দেওয়ার পদ্ধতি সঠিক নয়, তবু বর্ণনায় দেখা যায় তা এক তালাক হিসেবে গণ্য হয়েছে। তাই স্বামীদের উচিত তালাকের নিয়ম আগে জানা, আলেমদের কাছে জিজ্ঞেস করা এবং আবেগের মুহূর্তে এমন সিদ্ধান্ত না নেওয়া। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত, তাই ব্যাখ্যাতেও সীমা রাখা জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইবন উমর (রাঃ)-এর ক্ষেত্রে হায়েজে দেওয়া তালাক এক তালাক গণ্য হয়েছে।
- তালাকের শব্দ ব্যবহার অত্যন্ত সতর্কতার বিষয়।
- ভুল সময়ে তালাক দেওয়াও গুরুতর পারিবারিক প্রভাব ফেলতে পারে।
- তালাকের আগে নিয়ম জানা ও ধৈর্য ধরা প্রয়োজন।
